এনাকোন্ডা লিঙ্কবিল্ডিং স্ট্র্যাটেজি গাইডলাইন

উফ ! এটা সত্যি একটা বোরিং কাজ, কেন যে এসেছিলাম এই সেক্টরে, মাঝে মাঝে ভাবতেই অবাক লাগে। প্রতিটা দিন যেন একটা বিষাক্ত কাটার মত ফুটে থাকে। আজ ক্লায়েন্ট এর সাথে ঝগড়া, কাল নিশ্চয় হুমকি টা বাদ দিবে না। সারাদিন মাউস আর কি-বোর্ড টিপে রেজাল্ট শুন্য !  আমার বোধহয় আর হইল না ক্যারিয়ার গড়া !

সার্চ ইঞ্জিন কেন এত কঠিন করতেছে ? আমার তো পেটে লাথি মারতেছে ? প্রতিটা দিন  স্বপ্ন ভেঙ্গে যাচ্ছে। ভাই প্লিজ কিছু একটা সাজেশন দিন। এইরকম নানা প্রশ্ন, আকুতি আর ক্ষোভ যেন, আমার ইনবক্সে রক্তে লাল করে দেয়। সবার-ই একটা কমপ্লেন “লিঙ্কবিল্ডিং”.

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের সব থেকে চ্যালেঞ্জিং অধ্যায় লিঙ্ক বিল্ডিং। আচ্ছা, একটা প্রশ্নের উত্তর নিজেকে নিজের কাছে দিন, একটা বিষয়ের উপর কয়েক লক্ষ কনটেন্ট ইনডেক্স আছে আপনার সার্চ ইঞ্জিনে। এর মধ্যে এখন একজন ভদ্রলোকের কনটেন্ট মানসম্মত না, কিন্তু প্রচুর টাকা আছে, আরেকজন চমৎকার লিখে কিন্তু তার টাকা নেই। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন আপনার, সেহেতু এখন আপনি আপনার ব্যবহারকারীদের সামনে কোন রেজাল্টটি শো করাবেন ? যে ব্যাক্তির টাকা আছে, সে তো বিভিন্নভাবে টাকা খরচ করে কয়েকশো কোটি ব্যাকলিঙ্ক বিল্ড করে রাখছে, এবং অপর ব্যাক্তি কিছুই করতে পারে না। হয়ত সর্বোচ্ছ  গেলে ন্যাচারালি কিছু যায়গা তে শেয়ার করছে। যেহেতু আপনার সার্চ ইঞ্জিনের এলগোরিদম চলে লিঙ্কবিল্ডিং এর উপর তাহলে কি করবেন ?

ঠিক তেমনি, যদি সার্চ ইঞ্জিন নীতিমালা নির্ধারণ না করে দেয় বা তাদের এলগোরিদম যদি আপডেট না করে, তবে একজনই রাজত্ব করবে, যার কি না প্রচুর  টাকা আছে। সুতরাং সার্চ ইঞ্জিনকে ব্লেম দেওয়ার কোন যুক্তি নেই।

Anaconda Link Building

ইতিপুর্বে এই বিষয়গুলো নিয়ে অনেক আলোচনা করে ফেলছি। তারপরও যতটুকু না বললে আসলে নয়, ততটুকু বলেছি।

[sociallocker]

হ্যাঁ, লিঙ্কবিল্ডিং একটা ইফেক্টিভ মেথড। তবে সেটার সুন্দরভাবে ব্যবহার করতে হবে। কিন্তু শুধু মাত্র স্ট্রাটেজি শেয়ার করা হয় না স্প্যাম এর কারনে। একটা স্ট্রাটেজি শেয়ার করলে, মানুষ এত বেশি স্প্যাম করে যে, পরবর্তীতে কোন না কোনভাবে সেটা রেস্ট্রিক্টেড করে দেয়।

গুগল সার্চ ইঞ্জিনে এক সময় র‍্যাঙ্ক করাতো কেমন করে জানেন ? আচ্ছা যদি জেনে থাকেন তাহলে আবার জেনে নিন আর না জানলে শুনুন, গুগল এর প্রাথমিক দিকে যে বেশি কি-ওয়ার্ড এর ব্যবহার করত তাকেই র‍্যাঙ্কে উপরে নিয়ে আসতো। যেমন কেউ যদি ১০ টা ব্যাকলিঙ্ক করত, আর অপর জন জন যদি ১১ টা করত, তবে দ্বিতীয় জন সার্চ র‍্যাঙ্কে আসতো। আহ ! কতই না মজার ছিল সেইদিনগুলা ? এই ভাবতেছেন তাই না ?

আসলে দিনগুলো এখনো আছে, শুধু সিস্টেমটা পরিবর্তন হয়েছে। এই ব্যাপার বেশ অনেক কথায় লিঙ্কবিল্ডিং যখন গলার কাঁটা, সমাধান তখন হাতের মুঠোয় লেখাটিতে উল্লেখ করেছি।

কথা আর বাড়াবো না সোজা কাজের কথায় চলে যাব। আজকের এমন কিছু পদ্ধতি নিয়ে আলোচনা করব যেগুলো খুব দ্রুত হাই-কোয়ালিটি লিঙ্ক তৈরি করতে সাহায্য করবে। আর যা কিনা আপনার ওয়েবসাইটকে র‍্যাঙ্ক করতে মারাত্মক ভুমিকা পালন করবে।

আমি যখন লিঙ্কবিল্ডিং স্ট্রাটেজি গাইডলাইন টি লিখি, তখন ওই স্ট্রাটেজিগুলো ফলো করেছি। আমি শিখি এবং সেগুলো ইমপ্লিমেন্ট করি। অনেক স্ট্রাটেজি তে সাকসেস হই না। যেগুলো হই না, সেগুলোকে আমার পরবর্তী টার্গেট হিসেবে রাখি। আমি কোন এলিমেন্টকে বাদ দিতে চাই না। আমি জানি প্রত্যেকটা এলিমেন্ট-ই SERPs তে আমাকে সাহায্য করবে। শুধু প্রয়োজন সঠিক ব্যবহার।

যাই হোক গত ৪ মাস কাজের পর রেজাল্ট খুব ভালো পেয়েছি কিছু কাজ করে। এবং আমার পেইড টুলস থেকে যাচাই-বাছাই এর পর লেখাটা লিখতে বসেছি। আগামী ১ বছর এই ধরনের কাজগুলো করলে আমার মনে হয় না, কোন সমস্যাতে পড়বেন। আর যদি রিস্ক থাকে, তবে অবশ্যই জানিয়ে দিব। সাধারণত আমি এমন কোন আন-ইথিক্যাল বিষয় উল্লেখ করি না, যে স্ট্রাটেজিগুলো খুব সহজেই ভেঙ্গে যেতে পারে। সুতরাং লিঙ্কবিল্ডিং এর জন্য আপনি এই পর্ব এবং গত পর্ব ২ টি-ই  ১০০% ফলো করতে পারেন।

আজকে যে বিষয়বস্তু নিয়ে আলোচনা করব তার একটি ছোট্ট ব্রিফঃ

  • কিভাবে দ্রুত ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করবেন
  • ফ্রী টুলস এর মাধ্যমে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি
  • হাই- কোয়ালিটি এবং অথোরিটি সাইট থেকে ব্যাকলিঙ্ক তৈরি পদ্ধতি
  • লিঙ্ক তৈরির মাধ্যমে কিভাবে ট্র্যাফিক আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসবেন
  • পেইঙ্গুইন প্রুফ ব্যাকলিঙ্ক যেভাবে তৈরি করবেন

শুরু করা যাক এবার ব্যাকলিঙ্ক তৈরির কারখানা গড়ার কাজঃ

টুইটার লিঙ্কবিল্ডিং পদ্ধতিঃ

একটু আশ্চর্য হওয়ার মত ব্যাপার হলেও এটা সত্যি যে, টুইটার থেকে কোয়ালিটি সম্পন্ন ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করা যায়। নিচের স্ক্রিনশর্টটি দেখুন।

Twitter LinkBuilding

তবে শুধু লিঙ্ক প্রোফাইলে রাখলেই আসলে এই লিঙ্ক ভ্যালু নাই। টুইটার মার্কেটিং এর জন্য বিভিন্ন থার্ড পার্টি টূলস আছে, যে সব টুলগুলো ব্যবহার করলে একটা প্রোফাইল ক্রিয়েট করে অটোম্যাটিক।এই মজার ব্যাপার হচ্ছে, তারা প্রোফাইল তৈরির জন্য ইনফরমেশনগুলো যেহেতু টুইটার প্রোফাইল থেকে নেই, তাই সেখানে আপনার ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক যায়। এটা একটা মাধ্যম।

Tafser Ahmed on Twiholic

এটা থেকে আরও কিছু বেনিফিট আছে, আপনার টুইটার প্রোফাইলটাও ভারি হতে থাকে, সুতরাং আপনার টুইটার প্রোফাইল এর পেজ অথোরিটি বাড়তে থাকে। যে বেনিফিট টূইটা থেকে পাওয়া যায়।

সার্চ ইঞ্জিনে সার্চ করলে আমি ইদানিং লক্ষ্য করেছি সেই সাথে ফলাফল ও পেয়েছি, তারা টুইটার এর টুইট থেকে মেটা ডেসক্রিপশন সংগ্রহ করে সার্চ রেজাল্টে র‍্যাঙ্ক করে। নিচের স্ক্রিনশর্টটি আরও বেশি ক্লিয়ার হতে সাহায্য করবে।

সুতরাং এটা পরিস্কার যে, আপনি যদি টূইটারকে আপনার লিঙ্কবিল্ডিং একটি হাতিয়ার হিসেবে ধরেন তবে, ভুল হবে না। টুইটার মার্কেটিং অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি ভালোভাবে টূইটার মার্কেটিং করা যায়, তবে সার্চ থেকে শুরু করে, সব যায়গা থেকে ট্র্যাফিক নিয়ে আসা সম্ভব। টুইটার মার্কেটিং গাইডলাইন নিয়ে আমার লেখাটি পড়তে পারেন। যা কিনা আপনার মার্কেটিংকে আরও শক্তিশালী করে তুলবে।

এইরকম কিছু টুলসঃ

ইনফোগ্রাফিক সাবমিশনঃ

ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন একটি মারাত্মক ইফেক্টিভ লিঙ্ক বিল্ডিং স্ট্রাটেজি। এটা খুবই সহজ পদ্ধতি আমার কাছে মনে হয়। অনেকে মনে করে এটা খুবই কঠিন একটা কাজ। কেন মনে করে আমার এই ব্যাপারে কোন আইডিয়া নেই।

আপনার যদি ইনফোগ্রাফিক তৈরি করার মত যথেষ্ট পরিমান বাজেট না থাকে তবে ফ্রী ইনফোগ্রাফিক তৈরি টুলস ব্যবহার করে তৈরি করতে পারেন।

ফ্রী ইনফোগ্রাফিক টুলসঃ

আর যদি বাজেট থাকে তবে ১০০ ডলার দিয়ে ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটিংপ্লেস থেকে একজন ভালো মানের গ্রাফিক ডিজাইনারকে দিয়ে  হাই- কোয়ালিটি ইনফোগ্রাফিক ডিজাইন করিয়ে নিতে পারেন। কিছু ইনফোগ্রাফিক সাইট লিস্ট নিচে আপনাদের জন্য দিয়ে দিলাম।

ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন ওয়েবসাইটঃ

এছাড়া আপনি কিছু সার্চ কোয়ারি ব্যবহার করে ইনফুগ্রাফিক ওয়েবসাইট খুজে বের করতে পারবেন। যেমনঃ “submit infographic”, inurl: submit infographic, intitle: submit infographic,intitle: infographic directory,“infographic directory”

প্রত্যেকটা ইনফুগ্রাফিক ওয়েবসাইটে আপনার ইনফুগ্রাফি সাবমিট করার জন্য কমপক্ষে ৩০০ ওয়ার্ড এর ইউনিক কনটেন্ট দিবেন ডেসক্রিপশনে। এতে আপনার ইনফুগ্রাফিটি যেমন দ্রুত সার্চ ইঞ্জিনে ইন্ডেক্স হবে ঠিক তেমনি ইনফুগ্রাফিক সাইট এর এডমিনরাও দ্রুত আপনার ইনফুগ্রাফিকটা রিভিউ করে পাবলিক করবে।

ইনফোগ্রাফিক প্রোমট

ইনফোগ্রাফিক সাবমিশন এর পর পদক্ষেপ হচ্ছে আপনার ইনফোগ্রাফিক টা প্রোমট করা। টুইটার মার্কেটিং যদি করতে পারেন, সেক্ষেত্রে অনেক বেশি বেনফিটেড হবেন । আপনার ইনফোগ্রাফিক কে ভাইরাল করার জন্য, সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলো অনেক বেশি সাহায্য করবে।

ইনফোগ্রাফিক মার্কেটিং করার জন্য যে বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। অথবা যে বিষয়গুলো ফলো করে আপনি আপনার মার্কেটিং কে আরও অনেক বেশি শক্তিশালি করবেন।

  • প্রথমত টুইটার শিডিউল মার্কেটিং । টূইটার মার্কেটিং সম্পর্কে আরও ভালোভাবে জানতে ক্লিক করুন এখানে
  • মার্কেটিং এর জন্য ইমেল মার্কেটিং গুরুত্বপূর্ণ একটি মাধ্যম। তবে এর জন্য অবশ্যই থাকা চাই একটা সুন্দর মেইল কনটেন্ট। উদাহরণসরূপ নিচে একটি ই-মেইল এর স্যাম্পল দিয়ে দিলাম।

Hey [insert name],

I want to start by saying I’m a big fan of [insert site]. 

In fact, I found [insert post name] to be such a great resource that I referenced it in my latest infographic: [insert name of infographic].

You can check it out here: [insert URL]

Just wanted to let you know. 

Feel free to share this with your readers, I think they’d get a ton of value out of it. 

Either way, keep the great content coming 

Cheers, 

[insert your name]


  • রেডিট মার্কেটিং যে শক্তিশালী সেটা পরবর্তীতে কোন একটা পয়েন্ট থেকে জেনে যাবেন। রেডিটে ইনফোগ্রাফিক নিয়ে সাব রেডিট, যেমন ইনফোগ্রাফিক এর জন্য সাব –রেডিট আছে , সেখানে আপনার ইনফোগ্রাফিক সাবমিট করে প্রোমশন করতে পারবেন।
  • এবং সর্বশেস ইনফোগ্রাফিক সাইটগুলো, যেগুলোতে আপনি আপনার ইনফোগ্রাফিক টি সাবমিট করেছেন, সেটি কিভাবে ইম্প্রুভ করা যায় বা কি পরিস্থিতিতে আছে সেতা জানতে চেয়ে এডমিন প্যানেলে মেইল করেন নিচের মেইল এর মত করে। উদাহরণসরূপ এই মেইলটি। মেইল এর সেন্ড করার ক্ষেত্রে বানান, গ্রামার এবং আকর্ষণী কিছু কথা লিখুন। এতে করে সে আপনার ই-মেইল দেখার পর কনভেন্স হয়।

Hey [insert name], 

I was checking out [site name] today and came across this article [insert URL].

First off, let me say thanks for creating such a great piece of content!

As I was reading through your post I noticed that you linked out to [insert post name]. 

Great infographic! In fact, I just created my own inforgraphic: [insert title].

You can check it out here: [insert URL].

It provides a more up-to-date and in-depth look at [insert title]. 

Cheers, 

[insert your name]


আশা করি আপনি ইনফোগ্রাফিক মার্কেটিং থেকে শুধু ভ্যালুএবল ব্যাকলিঙ্ক নয়, আরও ভাল কিছু পেতে পারেন। এই জন্য এই পদ্ধতিকে কোনভাবে অবজ্ঞা করার উপায় নেই।

ব্লগার ইন্টারভিউঃ

ইয়েস! আমার অনেকগুলো স্ট্রাটেজির মধ্যে সবথেকে সফল একটা স্ট্রাটেজি এটি। লিঙ্কবিল্ডিং করার জন্য এটা অন্যতম একটা মাধ্যম। ইন্টারন্যাশনাল মানের কয়েকজন ব্লগারের এর ইন্টার্ভিউ যদি নিতে পারেন। তবে সেখান থেকই আপনি কোয়ালিটি সম্পন্ন ব্যাকলিঙ্ক পেতে পারেন। কারন আপনি যখন তার লেখা বিষয়গুলোর মধ্যে থেকে প্রশ্ন করবেন অথবা ওই ইন্ডাস্ট্রি সম্পর্কে প্রশ্ন করবেন। তখন সে উত্তর দিবে।

পরবর্তীতে সে (যার ইন্টার্ভিউ আপনি প্রকাশ করছেন) কোন টপিকস লেখার ক্ষেত্রে “আরও ভালোভাবে জানতে হলে এই ইন্টার্ভিউ থেকে দেখে নিন” ব্যাপার টা উল্লেখ করবে। এছাড়া অনেকে হোমপেজে তার ছবিসহ আপনার ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক দিয়ে রাখবে। যা কিনা আপনার ওয়েবসাইট এর ব্যাকলিঙ্ক অন্য একটা মাত্রা এনে দিতে পারে। যখন কোন ব্লগারের ইন্টারভিউ আপনি প্রকাশ করবেন, সে নিজেও চাইবে তার লেখাটি অনেক মানুষ পড়ুক। এবং তার সাথে আপনার একটা সম্পর্ক তৈরি হবে। যে সম্পর্কের খাতিরে সে আপনাকে ভালো কোয়ালিটি একটা ব্যাকলিঙ্ক দিবে। এটা করার জন্য যে বিষয়গুলো মাথায় রাখবেন।

  • নতুন ওয়েবসাইট এর ক্ষেত্রে এই ধরনের পদক্ষেপ নেওয়া উচিৎ না। তাতে কস্টটা বৃথা। সুতরাং এলেক্সা তে ৬০-৭০ হাজার অবস্থানে থাকলে এই ধরনের পদক্ষেপে সাফল্য পাওয়া যায়।
  • ইন্ডাস্ট্রির সব যায়গাতে একটা পরিচিতি তুলে ধরতে হবে। কমপক্ষে ৩-৪ টা ভালো কি –ওয়ার্ডে গুগলের প্রথম দিকে থাকতে হবে।
  • ওয়েবসাইট এর লুক প্রফেশনাল হতে হবে।
  • ভালো কোয়ালিটির কনটেন্ট প্রোভাইড করতে হবে। এতে করে ব্লগার ইম্প্রেস হবে।
  • যে ইন্ডাস্ট্রি নিয়ে লেখালেখি করছেন, সেই ইন্ডাস্ট্রির কমপক্ষে ১-২ জন ইন্ডাস্ট্রির পরিচিত মুখকে ইন্টার্ভিউ নেওয়ার জোর চেস্টা চালাতে হবে। এতে যদি কিছু ইনভেস্ট করতে হয়, তবুও। তাহলে পরবর্তী পদক্ষেপ সহজ হয়ে যাবে।
  • ইন্টার্ভিউ এর প্রশ্নগুলোর মধ্যে কিছু প্রশ্ন রাখতে হবে যেগুলো ব্লগারকে নতুনভাবে ভাবতে শেখায়। এতে সে আগ্রহ প্রকাশ করবে।
  • প্রশ্নগুলো সর্বদা ফানি করার চেস্টা করতে হবে।
  • যতদূর সম্ভব ব্লগারকে অনেক বেশি প্রায়রিটি দিয়ে তার সাথে সন্মান এর সহিত কথা বলার চেষ্টা করতে হবে।
  • কোন ধরনের লোভনীয় অফার টাইপের কিছু করা যাবে না। এতে বেকে বসে অনেক ব্লগার।
  • সুন্দরভাবে মেইল করতে হবে। সব বিষয়গুলো স্পষ্ট থাকে মেইলে, এমন মেইল করতে হবে।
  • প্রথম মেইলে তাকে জানাতে হবে, এবং কনভেন্স করার চেষ্টা করতে হবে। পরবর্তী মেইলে তাকে একটা ডেমো পাঠাতে হবে।
  • কনভেন্স করার জন্য যত ধরনের টেকনিক সম্ভব আপনি এপ্লাই করুন।
  • এমন কোন ব্লগারকে ইন্টার্ভিউ নেওয়ার জন্য বাছাই করবেন না, যার সম্পর্কে গুগলে তথ্য পাওয়া কস্ট।

বিঃদ্রঃ এই ধরন এর ইন্টার্ভিউ এর যদি কোন অফার আপনার হাতে আসে, সেক্ষেত্রে আপনি নিজে পার্টিসিপেট করবেন স্বতঃস্ফূর্তভাবে। এতে করে আপনার নিজের ব্র্যান্ডিং সহ আপনার ব্লগের এর জন্য ভ্যালুএবল ব্যাকলিঙ্ক ও পাবেন।

ইমেজ লিঙ্কবিল্ডিং

গত ৩ মাস যাবত একটা ইমেজ এর উপর ভিত্তি করে তৈরি একটি ব্লগ, এমন একটি ব্লগ নিয়ে কাজ করতেছি। যেটা করতে যেয়ে অনেক কিছু নতুন শিখেছি। ইমেজ এর মাধ্যমে প্রচুর পরিমান ভিজিটর আপনি সার্চ ইঞ্জিন থেকে নিয়ে আসতে পারবেন। এবং সেগুলো আপনার ওয়েবসাইট এর লিঙ্কবিল্ডিং এর জন্য কাজ করবে।

আপনি যে ইমেজ গুলো আপনার ওয়েবসাইট এর জন্য ব্যবহার করেন, সেগুলো অবশ্যই ইউনিক। আর যদি ইমেজগুলো ইউনিক না হয়, তবে আপনাকে এই ব্যাপার টা মাথায় রাখতে হবে যে, ইমেজগুলো  যেন ইউনিক হয়। পরবর্তীতে আপনি অই ইমেজগুলোকেই রিভার্স করবেন ।

ইমেজ শেয়ার যে সমস্ত ওয়েবসাইট রয়েছে এইসব সাইটগুলোতে ইমেজ শেয়ার করার সময় ইমেজ আপলোড সিলেক্ট না করে আপনার ওয়েবসাইট এর যে ইমেজ আছে সেটার লিঙ্ক শেয়ার করুন। এতে করে রেফারেন্স হিসেবে আপনার ওয়েবসাইট এর লিঙ্ক দেখাবে। এইরকম কিছু ওয়েবসাইট এর মধ্যে Funny Junk, ImgFav, Weheartit অন্যতম। এছাড়া গুগলে সার্চ করে আরও অনেক ওয়েবসাইট পাবেন ।

যদি আপনি এইরকম আপনার ওয়েবসাইট এর ইমেজ লিঙ্কসমূহ শেয়ার করতে থাকেন, তবে আপনার ওয়েবসাইট রেফারেন্স হিসেবে ওইসব সাইট থেকে ব্যাকলিঙ্ক পাবে। নিচের স্ক্রিনশর্টটি থেকে আরও পরিস্কার ধারনা পাবেন।

Link building with Image Search

এছাড়া ইমেজ এর মাধ্যমে আপনি আপনার কম্পিটিটর কে খুজে বের করে আপনি সেসব যায়গাগুলোতে আপনার ব্যাকলিঙ্ক বিল্ড করতে পারবেন। গুগল ইমেজ সার্চ এর মাধ্যমে আপনি আপনার কমিটিটর এর প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর ওয়েবসাইটগুলো খুজে পাবেন, এবং অতি সহজেই সেসব যায়গাগুলোতে আপনি লিঙ্ক বিল্ডিং করতে পারবেন।  নিচের ইমেজটি বুঝতে আরও বেশি সাহায্য করবে।

আপনি গুগলপ্লাস এর ইমেজ সার্চ এর মাধ্যমে খুজে বের করতে পারবেন, গেস্ট ব্লগিং এর ওয়েবসাইটসমূহ। এটার মাধ্যমে আপনি আরও বেশি শক্তিশালী করতে পারবেন আপনার লিঙ্কবিল্ডিং স্ট্রাটেজি। নিচের স্ক্রিনশর্ট আরও স্পষ্ট করে তুলবে।

Screenshot Number – 01
ScreenShot Number -02

বোনাস টিপসঃ গুগলে ইমেজ সার্চ করার জন্য সহজ পদ্ধতি হচ্ছে ক্রোম এক্সটেনশন ব্যবহার করা। গুগল ক্রোম এক্সটেনশনটি ব্যবহার করে দ্রুত সার্চ করতে পারবেন।

গেস্ট ব্লগিং

গেস্ট ব্লগিং এর সম্পর্কে সবার অনেক বেশি জানা। এমনকি এটা এখন সবাই গেস্ট ব্লগিং করা একরকম বাদই দিয়েছে। কিন্তু আমি বরাবর বলেছি, আমার একটু বেশিই নাক গলানো স্বভাব। কারনটা আমি বুঝেছি, ওই ডিরেক্টরি গল্পের পর থেকে। পিপল যে যায়গা থেকে সরে যাবে, আমার জন্য সে যায়গাগুলো গোল্ডেন অবস্থান হবে। আমি এর আগেও বলেছি, কাজ করবেন অথোরিটির জন্য। ব্যাকলিঙ্ক হাজারটা দরকার নেই। একটা হলে যথেষ্ট। যে একটা ব্যাকলিঙ্ক কিনা আপনার ১০০০ টা ব্যাকলিঙ্ক এর থেকে বেশি দিতে পারে।

গেস্ট ব্লগিং করতে হবে। কিন্তু বুঝে করতে হবে। গেস্ট ব্লগিং যদি মারা যেত, তাহলে পৃথিবীতে কমিউনিটি বলে শব্দ আর থাকতো না। গেস্ট ব্লগিং বেচে ছিল, আছে এবং থাকবে। কিন্তু মাথায় রাখতে হবে যে, স্টাটেজির একটু পরিবর্তন আনতে হবে। আর যদি মাথায় থাকে যে না আমি স্ট্রাটেজি তে পরিবর্তন আনতে চাই না। তবে প্রথম থেকেই সব হাই কোয়ালিটি অথোরিটি ব্যাকলিঙ্ক বিল্ডিং এর জন্য কাজ করুন। যেটা করতে হলে প্রচুর পরিমান ইনভেস্ট এর প্রয়োজন।

যেহেতু আমাদের ইনভেস্ট নাই, তাই আমরা চেষ্টা করবো ফ্রী এর মধ্যে সবথেকে ভালো কি করা যায়।

গেস্ট ব্লগিং যে ধরনের সাহায্য করবে আপনার জন্য, সেটা একটু উল্লেখ করছিঃ

  • টার্গেটেড ট্র্যাফিক আপনার ওয়েবসাইটে নিয়ে আসতে সাহায্য করবে।
  • ইন্ডাস্ট্রির সবার সাথে একটা ভালো সম্পর্ক তৈরি হবে। যেটা আপনার যে কোন কাজের ক্ষেত্রে ৩০ – ৪০ ভাগ কাজ এগিয়ে রাখবে।
  • ভালো কোয়ালিটির ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করতে সাহায্য করবে।
  • সাইট এর অথোরিটি তৈরি তে সাহায্য করবে।

বুঝতেই পারছেন যে, গেস্ট ব্লগিং একটা মেশিনগানের মত। যেটা আপনার সবদিক থেকেই বেনিফিট দিবে। কিন্তু এর জন্য প্রথমেই আপনাকে খুজে বের করতে হবে গেস্ট ব্লগিং ওয়েবসাইট। আর যার জন্য লিঙ্ক সার্চিং টূলস আপনাকে সাহায্য করবে।

গেস্ট ব্লগিং করার জন্য কিভাবে গেস্ট ব্লগিং ওয়েবসাইট নির্বাচন করবেন অথবা, কোন ধরনের ওয়েবসাইটগুলো কে নির্বাচন করবেন, সেটা হচ্ছে প্রধান বিষয়। যেকোনো যায়গা তে গেস্ট ব্লগিং করা যাবে না। এতে আপনার সময়, কস্ট বৃথা ইনভেস্ট হবে। নিচের কিছু বিষয়গুলো লক্ষ্য রাখতে হবে যখন আপনি ওয়েবসাইটগুলো সিলেক্ট করবেনঃ

  • হাই ডোমেইন অথোরিটি
  • সোশ্যাল একটিভিটি
  • প্রোভাইড কন্টাক্টচুয়াল লিঙ্কস
  • রিলেটেড বিষয়বস্তু নিয়ে লেখা এমন ব্লগ নির্বাচন করতে হবে ।
  • ভালো কমিউনিটি ব্লগ নির্বাচন করতে হবে
  • গেস্ট ব্লগিং চিন্তা করে লো কোয়ালিটি কনটেন্ট প্রোভাইড করা যাবে না, ভালো এবং হাই কোয়ালিটি কন্টেন্ট প্রোভাইড করতে হবে।
  • ব্লগ যেন প্রচুর পরিমানে ভিজিটর এর সমাগম থাকে সেটা দেখতে হবে। এর জন্য এলেক্সা টুলস ব্যবহার করতে হবে।

বোনাস টিপসঃ লিঙ্ক সার্চিং টুল এর সাথে টুইটার সার্চ ব্যবহার করতে পারেন। এতে আপনি ভালোমানের ওয়েবসাইট খুজে বের করে নিতে পারেন। কিভাবে সার্চ করতে হয় টুইটারে, সেটার জন্য আমার টুইটার গাইডলাইন লেখাটি পড়ুন।

গুগল এলার্ট লিঙ্কবিল্ডিং

একটু হয়ত ভেবাচেকা খাওয়ার মত একটি বিষয়বস্তু আমি লিখতে চলেছি। ভাবছেন গুগল এলার্ট থেকে কিভাবে লিঙ্ক বিল্ডিং করব ? আমি ভাবছি কিভাবে সম্ভব। হা হা হা 😀

গুগল এলার্ট থেকে লিঙ্কবিল্ডিং করা যাবে না। কিন্তু গুগল এলার্টকে লিঙ্ক বিল্ডিং করার মেশিন তৈরি করা যাবে। গুগল এলার্টে একটা এলার্ট তৈরি করতে হবে যেটার মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন যে, আপনার ব্লগ সম্পর্কে কে গুগল থেকে সার্চ করতেছে এবং আপনার ওয়েবসাইট কে বা আপনার কোন কি –ওয়ার্ড কে মেনশন করছে সেইসব তথ্যগুলো।

অনেকে হয়ত আপনার ব্র্যান্ড মেনশন করবে । কিন্তু লিঙ্ক পাস করতে চাই না বিধায় ইন্টারনাল লিঙ্ক করে না। ওইসব ব্যাক্তিদেরকে আপনি একটা বন্ধুত্বসুলভ মেইল করতে পারেন। বেশিরভাগ ক্ষেত্রে কাজ করে। নিচে একটি মেইল এর ডেমো দেওয়া হইলঃ


Hello,

I was checking out your site today and noticed that you mentioned my brand/post in [insert post name].

I appreciate the call out and wanted to ask if you wouldn’t mind linking back to my site [insert URL].

Keep up the great work 😉

Cheers,

[insert your name]


নিচে একটি স্ক্রিনশর্ট থেকে ক্লিয়ার হবেন যে কিভাবে আপনি এলার্টটী সেটআপ করবেন।

এখান থেকে কিছু সাজেশন নিতে পারেন এলার্ট কি-ওয়ার্ড সিলেকশনের জন্য।


www.tafserahmed.com

tafserahmed.com

tafserahmed

Tafser Ahmed

[Article Name] “Link building guideline”


এবাউট লিঙ্কবিল্ডিং

লিঙ্ক বিল্ডিং করার আরেকটি গেরিলা ক্ষেত্র এবাউট লিঙ্কবিল্ডিং । ব্যাক্তিগত একটি পেজ করার জন্য বিভিন্ন ওয়েবসাইট এই ধরনের সুযোগ দিয়ে থাকে। যেখানে আপনি সুন্দরভাবে একটা নিজের প্রোফাইল তৈরি করতে পারবেন। উদাহরণস্বরূপ About.me যেখান থেকে আপনি ব্যাকলিঙ্ক পেতে পারেন। নিচের স্ক্রিনশর্টটি আরও ক্লিয়ার করতে পারবে।

ভিডিও ট্রান্সক্রিপ্ট লিঙ্কবিল্ডিং

এই পদ্ধতিটা কাইসার দ্যা সেজ ব্লগ থেকে পেয়েছি। এটা সত্যি একটা অসাধারন পদ্ধতি। যদি আমি নিজে ব্যাক্তিগতভাবে চেস্টা করে নি। কিন্তু এটা একটা ভালো পদ্ধতি আমি যতদূর দেখলাম। পরবর্তী স্টেপে আমার এই স্ট্রাটেজি টা থাকবে। এটা সম্পূর্ণ ইউনিক একটা আইডিয়া।

এটা করতে হলে আপনাকে সিলেক্ট করতে হবে যে কারা ভিডিও টিউটোরিয়াল করে থাকে। সেখান থেকে ইন্ডাস্ট্রির যে সব সেলিব্রেটি ব্যাক্তি আছে তাদের ভিডিও খুজে বের করে দেখতে হবে যে, তাদের ভিডিও এর সাথে ট্রান্সক্রিপ্ট দেওয়া আছে কি না। যদি না থাকে তবে একটা ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরি করে দিতে হবে। নিচে ম্যাট কাটস এবং রোজ হাজেন এর কনভার্সন ই বুঝিয়ে দেয়।

রোজ হাজেন যেভাবে বর্ণনা দিয়েছেনঃ 

video1
Screeshot-01: Search In YouTube or Google

 

video2
Screeshot-02: Result, what you searched

 

ScreenShot-03: Rose Hasen Mention to Matt Cutts
ScreenShot-03: Rose Hasen Mention to Matt Cutts
ScreenShot-04: What matt cutts replayed !
ScreenShot-04: What matt cutts replayed !

এছাড়া আমি মজের র‍্যান্ড ফিসকেও দেখেছি যে, সে হোয়াইট বোর্ড ফ্রাইডে এর জন্য যে ভিডিও তৈরি করে, কেউ না কেউ সেটার ট্রান্সক্রিপ্ট করে দেই। এবং পরবর্তীতে সে ওই ট্রান্সক্রিপ্ট তৈরিকারিকে একটা কোয়ালিটি সম্পন্ন ব্যাকলিঙ্ক প্রোভাইড করে। মজের মত এইরকম একটা কোয়ালিটি সম্পন্ন ব্লগ থেকে ব্যাকলিঙ্ক পাওয়া টা খুবই দুরহ একটা ব্যাপার।

Rand Fishkin Gave Credit with Quality Backlink

আমি নিজেও খুব আশাবাদী এই পদ্ধতির ব্যাপারে। কেউ করে থাকলে কতটুকু সাকসেস হয়েছেন জানাবেন।

লিঙ্কডইন পালস লিঙ্কবিল্ডিং

আমার দেখা সফল কয়েকটি স্ট্রাটেজির মধ্যে এটি একটি। লিঙ্কডইন পালস শুধু আপনাকে ব্যাকলিঙ্ক করতেই সাহায্য করবে না। এটি আপনার ব্লগে কোয়ালিটি সম্পন্ন ট্র্যাফিক আনতেও সাহায্য করবে। যেহেতু লিঙ্কডইন একটা সোশ্যাল প্ল্যাটফর্ম, সেহেতু এখানে প্রচুর পরিমানে কমিউনিটি পিপলকে সহজেই পাওয়া যায়। আর এরই মাঝে লিঙ্কডইন এর এই পালস পদ্ধতিটা কিছুটা গেস্ট ব্লগিং এর মত। তাই একই সাথে ২ বেনিফিট এখান থেকে পাওয়া যায়। প্রথমত নেটওয়ার্ক পাওয়া যায়, দ্বিতীয়ত একটা হাই কোয়ালিটি ওয়েবসাইট থেকে সহজেই ব্যাকলিঙ্ক বিল্ড করা যায়।

রেডিট লিঙ্ক বিল্ডিংঃ

লিঙ্ক বিল্ডিং এর মধ্যে অন্যতম একটা ভ্যালুএবল পদ্ধতি রেডিট লিঙ্ক বিল্ডিং। অবিশ্বাস্য হলেও সত্যি যে প্রতিদিন কমপক্ষে ১৫০ + এর বেশি কি-ওয়ার্ড দ্বারা সার্চ ইঞ্জিন থেকে ভিজিটর পেয়ে থাকি। আর সেটা শুধুমাত্র একটা ক্ষমতার জোরে। রেডিটে এর একটা সাব-রেডিট সেকশনে আমি ওইলিঙ্ক টি দিতে পেরেছিলাম।

সুতরাং বুঝতেই পারছেন এটা র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টরে আমার কি-পরিমান সাহায্য করেছে। তবে এটা অনেক কষ্টের পর। রেডিটে খুব সহজেই চাইলে আপনি লিঙ্কবিল্ডিং করতে পারবেন না সাব -রেডিট সেকশনে। নরমালি প্রোফাইল থেকে পারবেন। রেডিট লিঙ্কবিল্ডিং এর জন্য যা করতে হবেঃ

  • প্রথমে খুজে আপনি যে সাব- ক্যাটাগরি নিয়ে কাজ করবেন, সেটা খুজে বের করতে হবে।
  • লিঙ্ক -কারমা বৃদ্ধি করুন। লিঙ্ক কারমা বৃদ্ধির জন্য ফানি সাব-রেডিটে ইমেজ পোস্ট করুন। অবশ্যই যেকোনো একটা ইমেজ শেয়ারিং সাইটে আপলোড করে তবে শেয়ার দিবেন। তাহলে লিঙ্ক- কারমা বৃদ্ধি পাবে।
  • লিঙ্ক – কারমা বৃদ্ধির জন্য অহেতুক পোস্ট করবেন না। ধীরে ধীরে কাজ করবেন ।
  •  কোন ধরনের লিঙ্ক পোস্ট করবেন না, যতক্ষণ না পর্যন্ত আপনি আপনার মেম্বারশিপটাকে শক্ত অবস্থানে না নিতে পারবেন ।
  • প্রশ্ন অথবা কমেন্ট এর মাধ্যমে কমিউনিটি তে একটিভ থাকুন। এতে ট্রাস্ট অথোরিটি বাড়বে।
  • এরপর লিঙ্ক শেয়ার এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সঠিক সাব-রেডিট নির্বাচন করবেন। এবং সেটা যেন ভ্যালুএবল লিঙ্ক হয়, কমিউনিটি অন্যদের উপকারে আসে, এমন লিঙ্ক শেয়ার করুন।

মনে রাখবেন, রেডিটে কিন্তু সাইলেন্ট ব্যান করে দেওয়া হয়। কোন ধরনের নোটিশ ছাড়াই। আপনি নিজেও বুঝতে পারবেন না যে, আপনি রেডিট থেকে ব্যান হয়েছেন। ব্যান হয়েছেন কিনা এটা চেক করার জন্য। আপনি যে সাব-রেডিটে পোস্ট  করেছেন সেটার ইউআরএল নিয়ে অন্য ব্রাউজারে পেস্ট করুন। এরপর দেখুন সেখানে আপনার পোস্টটি শো করছে কি না।

যদি শো না করে সেক্ষেত্রে বুঝে নিতে হবে, আপনি ব্যান হয়েছেন। দেরি না করে নতুন অ্যাকাউন্ট খুলতে হবে। কারন ব্যান হলে সেখান থেকে সুস্থ হওয়ার আর কোন সম্ভাবনা নেই। এমনকি রেডিটও এই সাজেশন দেই। কারন রোবট কাজ করে। তাই সেখানে তারা হস্তক্ষেপ করে না। সুতরাং কেয়ারফুলভাবে কাজ করে নিজের সাইট এর অথোরিটি বিল্ড করার জন্য রেডিটকে আপনি চোখ বন্ধ করেই নির্বাচন করতে পারেন।

লেখার একদম শেষ  পর্যায় চলে এসেছি। মনে রাখবেন, লিঙ্ক বিল্ডিং এসইও সেক্টরের সবথেকে চ্যালেঞ্জ পার্ট। আর যদি এই পরিক্ষাতে আপনি উত্তীর্ণ হতে পারেন, তবেই আপনি সফল হবেন। একবার হেরে যাবেন ১০ বার চেষ্টা করবেন। যাই হোক আরও অনেক মেথড মাথার মধ্যে থেকে গেল। দুঃখিত যে এত বড় কনটেন্ট আপনি নিজেও ধৈর্য রেখে পড়তে পারবেন না, আর সে কারনেই সব মেথডগুলো নিয়ে আলোচনা করা আসলে সম্ভবপর হল না। অন্য কোন একদিন হয়ত আবার লিখব।

আজকের এনাকোন্ডা লিঙ্কবিল্ডিং গাইডলাইন যদি সুন্দরভাবে আর সময় নিয়ে যদি ফলো করেন, তবে আমার যতটুকু বিশ্বাস যে, আপনি গুগল কে গ্রাস করতে পারবেন। স্ট্র্যাটেজি হবে বাঘের মত, কাজ করতে হবে কচ্ছপের মত, গ্রাস করতে হবে এনাকোন্ডার মত। তবেই সফল হওয়া যাবে। সবার জন্য শুভ কামনা রইল।

সবাই ভালো থাকবেন এবং সুস্থ থাকবেন এই প্রার্থনা করি। আমার জন্যও আপনারা দোয়া করবেন। দেখা হবে অন্য আরেকটা লেখাতে।  সেই পর্যন্ত  সাথে থাকুন। আল্লাহ হাফেজ।

[/sociallocker]

Comments

comments

Leave a Comment