সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন: বেসিক কি-ওয়ার্ড রিসার্চ

কি-ওয়ার্ড কিঃ

কি- ওয়ার্ড হল এস ই ও প্রান স্বরূপ। যে কোন প্রকার এস ই ও এর প্রান স্বরূপ। কি- ওয়ার্ড ব্যতিত কেউ কোনদিন কোন ওয়েব সাইট কে সার্চ ইঞ্জিনে খুজে পেতে সক্ষম হবে না। অর্থাৎ কি- ওয়ার্ড হল আপনার গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাক্টর, যা কিনা সর্বদা আপনার মাথাই রাখতে হবে। কিন্তু অগোছালো যে কোন কি- ওয়ার্ড আপনার ওয়েব সাইট এর জন্য হুমকি স্বরূপ।আপনি চাইলে যে কোন কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে পারবেন না। আপনার অবশ্যই নির্দিষ্ট কিছু কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে যা আপনাকে নির্দিষ্ট কিছু ফলাফল দিতে পারে। এখন আপনার মাথাই প্রথম প্রশ্ন  হল কি করে আমি সঠিক কি- ওয়ার্ড খুজে বের করব ? প্রশ্নটা আসলেই জটিল।কিন্তু উত্তর অনেক সহজ। আপনি চাইলে পরে অতি সহজেই নির্বাচন করতে পারেন ওই মুহূর্তের সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য কি- ওয়ার্ড। আর এটিকেই খুজে বের করতে আপনাকে কিছু ধাপ অতিক্রম করতে হবে।

ধাপ বলার আগে একটু এর গুরুত্ব সম্পর্কে জেনে নিব।

বেসিক কি-ওয়ার্ড রিসার্চ 22

কি- ওয়ার্ড গুরুত্বঃ

কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে জানার আগে আপনি আমাকে বলেন কেন আপনি এস ই ও করবেন ? কেন আপনি এস ই এম করবেন ? এক কথাই কেন আপনি আপনার সাইট এর জন্য অ্যাডভারটাইজিং করবেন ? উত্তর দিবেন ভিজিটরের জন্য তাই ত। আসলে উত্তর সঠিক। এত কষ্ট করা সুধু সাইট প্রচুর পরিমানে ভিজিটরের আনার জন্য। আর প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আসলে আপনার ইনকাম ও বাড়তে থাকবে। সবচেয়ে প্রচুর পরিমাণে ভিজিটর দেই সার্চ ইঞ্জিন। আর সার্চ ইঞ্জিন এ মানুষ তাদের নিজস্ব একটা কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দেন। এখন কিছুটা মনে হই বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড এর গুরুত্ব কততুকু। আরও একটু বলি তাহলে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব টা বুঝতে পারবেন।

ধরুন আপনার একটা ওয়েব সাইট আছে, সাইট টা অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে। এখন মানুষ আপনার সাইট এ আসার জন্য সার্চ ইঞ্জিন এ কি Entertainment World লিখে সার্চ দিবে । কখন দিবে না, সে হইত সার্চ দিতে পারে, Earn For Online, Make Money Online, Online earn Tips ইত্যাদি। সুতরাং তারা একটা রিলেটিভ কি- ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ দিবে। এখন আপনার কাজ হচ্ছে আসলে আমার সাইট টা ত অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে । আপনি চিন্তা করেন মানুষ অনলাইন ইনকাম সম্পর্কে জানতে সার্চ ইঞ্জিন এ কি লিখে সার্চ দিতে পারে। আর আপনার চিন্তা সঠিক কি না সেইটা সম্পর্কে রিসার্চ করা কে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ বলে। আর এই কি- ওয়ার্ড রিসার্চ করার জন্য কত গুলা সাইট আছে যারা আপনার কি- ওয়ার্ড আর খুঁটিনাটি সব কিছু জানাতে হেল্প করে। এতে করে সুবিধা হবে আপনার। আপনি একটা সঠিক কি- ওয়ার্ড বাছাই করতে পারবেন। আর সেই কি- ওয়ার্ড কে সঠিক ভাবে ইউটিলাইজ করতে পারলে আপনার সাইট পাওয়ার ফুল। আপনার সাইট পাওয়ার ফুল ত আপনি ও পাওয়ার ফুল। এখন হইত ক্লিয়ার ভাবে বুঝতে পারছেন কি- ওয়ার্ড রিসার্চ সম্পর্কে।

কি- ওয়ার্ড এর ব্যবহারঃ

 কি- ওয়ার্ড কোথায় কোথায় ব্যবহার করতে হয় নিচে দিয়ে দিলাম। জিনিস গুলা মনে রাখেন। সাড়া জীবন কাজে লাগবে। এস ই ও নিয়ে যতক্ষণ আছেন কি- ওয়ার্ড ততক্ষন আছে আপনার সাথে। এই জন্য কি- ওয়ার্ড কে গুরুত্ব দিতে হবে।

  ১) ডোমেইন এর নামঃ

আপনার সাইট এর নাম কি হবে এইটার উপর নির্ভর করে অনেক কিছু। সাইট এর নাম যদি একজন ভিজিটর এসে না মনে রাখতে পারে তাহলে সেই সাইট বানানোর কোন যুক্তি আসে না। এর এমন নাম দিতে হবে যেন আপনার সাইট এর টপিকস রিলেটেড হই। সার্চ ইঞ্জিন প্রথম সার্চ করার সময় ডোমেইন ইউ আর এল (Domain URL) সার্চ করে। এই জন্য ডোমেইন নাম এর প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। ডোমেইন নাম জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ বড় একটা ফ্যাক্টর।

২) ওয়েব সাইট এর টাইটেলঃ

সাইট এর টাইটেল এর জন্য কি-ওয়ার্ড রিসার্চ খুবই গুরুত্ব রয়েছে। আপনার সাইট এর টাইটেল যদি সঠিকভাবে ব্যবহার না করতে পারেন তাহলে কপালে অনেক বড় দুঃখ আপনার জন্য অপেক্ষা করছে। এই জন্য সাইট এর টাইটেলটার প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে কঠিন আকারে। টাইটেলে ২ টি সুবিধা একটি সার্চ ইঞ্জিন আপনার সাইট খুজে বের করতে পারে আর একটি ভিজিটর আসে যাতে আপনার সাইট আর গুড ফিডব্যাক দিতে পারে। আর এই জাইগাই ভিজিটর আর গুড ফিডব্যাক হচ্ছে আপনার জন্য পজিটিভ। যখন ভিজিটর গুড ফিডব্যাক দিচ্ছে সার্চ ইঞ্জিন আপনারে আরও উপরে উঠতে সাহায্য করবে। এই জন্য টাইটেল টার প্রতি নজর রাখতে হবে।

৩) আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রেঃ

আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে কিওয়ার্ড বড় একটা ভুমিকা পালন করে। প্রতি ১০০ ওয়ার্ড এ মিনিমাম+মাক্সিমাম ২ বার কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। এতে করে আপনার পোস্ট+সাইট এর জন্য উপকার হই। আমি যে লেখা  টা লিখলাম আজ এই পোস্ট টা তে দেখেন আমি কতবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি। ১-২ দিন পর বাংলাই গুগলে কি-ওয়ার্ড লিখে সার্চ দিবেন দেখবেন আমার পোস্ট টা গুগল এর প্রথম পাতাই ১-৩ এর মধ্যে আছে। একটাই কারন দেখেন আমি এই আর্টিকেল আমি অনেকবার কি-ওয়ার্ড শব্দটা ব্যবহার করেছি।আমি হাইলাইট করে দিছি কি-ওয়ার্ড গুলা। এই জন্য আর্টিকেল লেখার সময় পোস্ট টা যে বিষয় নিয়ে লেখা সে বিষয়ের উপর এবং সাইট এর মূল যে কি-ওয়ার্ড আছে সেইটার উপর কিছু কি-ওয়ার্ড দিতে হবে।

৪) মেটা ট্যাগের ক্ষেত্রেঃ

মেটা ট্যাগ নিয়ে পরবর্তীতে একটা টিউন হবে। যারা জানেন না মেটা ট্যাগ কিভাবে দিতে হই। শিখাই দিব। সুধু এইটুকু জেনে রাখুন কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হই মেটা ট্যাগে।কোথায়, কি ভাবে করতে হই পরবর্তীতে জানায় দেব।

কি-ওয়ার্ড রিসার্চ আসলেই কতটা জরুরী ও গুরুত্তপূর্ণ একটি বিষয় তা হইত আপনাদের বুঝাতে পারব না। আপনার কি- ওয়ার্ড রিসার্চযদি সঠিক না হই তাহলে আপনার সাইট ফ্লপ খাবে। দেখবেন সার্চ ইঞ্জিন এ প্রথমে আপনার সাইট কিন্তু ভিজিটর নেই। এই জন্য সর্ব প্রথমকি- ওয়ার্ড রিসার্চ আর উপর গুরুত্ব দিতে হবে।

SEO

ধাপসমূহঃ 

১) বিষয় নির্ধারণ

২) নেইবার বা প্রতিবেশি নির্ধারণ

৩) কি- ওয়ার্ড টুলস

 ১) বিষয় নির্ধারণঃ কি- ওয়ার্ড সিলেকশনের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ধাপ হল আপনার সাইট এর বিষয় নির্ধারণ করা। আপনি যে বিষয়টি নির্ধারণ করবেন তা নিয়ে আপনার করতে হবে বিশদ আকারে গবেষণা। যখনি নির্ধারণ তখনি সেই বিষয়ের লেখা আই বিষয়টা থেকে নিজেদেরকে বিরত থাকতে হবে। প্রথমে আপনার জানা উচিত আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীরা আপনার থেকে কত বেশি জানে।সে যতটুকু বর্ণনা করেছে তার থেকে আপনি আরও বিশদ আকারে বর্ণনা করতে পারবেন কি না সেইটা ভাবতে হবে। যদি না পারেন তবে আপনাকে ওই বিষয়ের উপর যথেষ্ট পরিমান রিসার্চ করতে হবে। রিসার্চ করার সময় খেয়াল রাখতে হবে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী যেটা লিখছে তার ভিতরে সে কোন ওয়ার্ড গুলকে বেশি প্রাধান্য দিচ্ছে সেইটার উপর। প্রত্যেক পোস্ট থেকে তার প্রকৃত ধারনা গ্রহন করতে হবে এবং সেই পোস্টের ভিতর তার সেই ওয়ার্ডগুলো কি ধরনের সংযোগ আছে সেইটা খুজে বের করতে হবে। আশা করি এইভাবে করলে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বীর কাজের সাথে নিজের কাজের তুলনা অবশ্যই করতে পারবেন।

 ২) নেইবার সিলেকশনঃ নেইবার সিলেকশন হল আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী কারা তাদেরকে খুজে বের করতে হবে।আর এটি কিভাবে খুজতে হবে সেইটা পূর্বে আমরা পেরিয়ে আসছি। এবং আমরা নেইবার সিলেকশনের জন্য প্রস্তুত। আমরা পূর্বে বর্ণিত নিয়মে যে পোস্টগুলো পড়েছি, আমরা সেই সকল ওয়ার্ড জানতে পেরেছি যা তারা পোস্টের মুল হিসেবে ব্যবহার করতে চেয়েছে। আমরা যে মুল ওয়ার্ড গুলো পেয়েছি তা নিয়ে গুগল সার্চ করি। আমরা দেখতে পাব যে, এই  কি-ওয়ার্ড এর উপর ভিত্তি করে সার্চ ইঞ্জিনে অনেক সাইট বিভিন্ন পজিশন ধরে রাখছে।ধরি আমরা Whiteboard Friday নামের একটি পোস্ট পড়ে মুল ওয়ার্ড Whoteboard Firday পেয়েছি। এখন আমরা গুগলে এই  Whiteboard Friday দিয়ে সার্চ করব। আমরা দেখতে পাব যে, Whiteboard Friday এর সকল পোস্টের লিঙ্ক এখানে এসে উপস্থিত হয়েছে।আমরা নিচে একটা স্ক্রিনশর্টের মাধ্যমে পুরা বিষয় ক্লিয়ার হয়ে নিই।

539876_609293052431936_1400508536_n

 

আমরা খেয়াল করি প্রথমে যে রেজাল্ট টি আছে তার কি-ওয়ার্ড –ই হল Whiteboard Friday। এই Whiteboard Friday অবস্থান করছে তার টাইটেলে এবং লিঙ্কের ভিতরে। আমরা পোস্টটি পড়ে জানতে পেরেছি এর প্রধান ওয়ার্ড হচ্ছে Whiteboard Friday ।

ধরে নিই আমরা এই  Whiteboard Friday এর উপরই কন্টেন্ট টা তৈরি করতে চায়। তবে এখন আমাদের করনীয় হল ওই পোস্টটিতে কতবার এই ওয়ার্ড টি ব্যবহার করা হছে জানা। অবশ্যই এর কি- ওয়ার্ড ডেনসিটি ( কি- ওয়ার্ড ডেনসিটি= মোট ওয়ার্ড/কি-ওয়ার্ড) সম্পর্কে আমাদের ধারনা থাকা অবশ্যই প্রয়োজন। তার ব্যবহারিত কি- ওয়ার্ড এর তুলনাই আমাদের কে বেশি পরিমান কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। আপাত্ দৃষ্টিতে সে যদি ১০০ কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করে তাহলে আমাদের সর্বনিম্ন ১০১ টি কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। যদিও এটি একটি সাধারন ধারনা। সম্পূর্ণ পরিপক্ক নয়।

৩) কি- ওয়ার্ড টুলসঃ কি-ওয়ার্ড রিসার্চ এর জন্য অনেক ধরনের টুলস আছে। সেসব টুলস নিয়ে একদিন বিস্তারিত আলোচনা করব। আজকে আমরা গুগল এর একটি ফ্রী টুলস এর ব্যবহার দেখাব। ফ্রী টুলসগুলোর ভিতর গুগল এই টুলসটি অনেক বেশি জনপ্রিয় এবং গুরুত্বপূর্ণ। তাই এই টুলসটি নিয়ে আলোচনা করব। আর যদি আরও বেশি টুলস ব্যবহার করতে চান সেক্ষেত্রে গুগল কি-ওয়ার্ড রিসার্চ টুলস লিখে সার্চ করলেই অনেক টুলস চলে আসবে।

এখন আমি কি-ওয়ার্ড রিসার্চ এর কিভাবে করতে হবে সেইটা দেখাব। তো আমরা দেখব PPC Managment Software কি- ওয়ার্ড লিখে সার্চ করলে কি রেজাল্ট আসে।

* প্রথমে জিমেইল আকাউন্ট টা দিয়ে ঢুকতে হবে গুগল অ্যাডওয়ার্ডস। সেখানে সাইন ইন করে ঢুকতে হবে। এই লিঙ্কে যেয়ে   https://adwords.google.com/ko/KeywordPlanner/Home?__u=4468408560&__c=4096667880
google-adwords-featured

* সাইন ইন করার পর উপরের বার থেকে “টুলস আন্ড এনালাইসিস” নামক অপশনে যেয়ে কি-ওয়ার্ড প্লানার- এ ক্লিক করতে হবে।
1185748_355415657924850_1314724063_n
* এখানে যেয়ে নতুন ফিচারের ৩ টা অপশন পাবেন। (i) Search for Keyword and ad group ideas (ii) Enter or Upload keyword to see how they perform (iii) Multiply keyword lists
1004539_355415584591524_1441412650_n
* এখান থেকে যে কোন একটি অপশন অর্থাৎ আপনার যেটা প্রয়োজন সেটা তে ক্লিক করুন।

1234035_355415644591518_1943156594_n

লক্ষ্য করুন আমরা এখানে অনেকগুলো অপশন দেখতে পাচ্ছি। কিন্তু এর ভিতর থেকে আমরা টিনটা জিনিসের প্রতি বেশি পরিমান গুরুত্ব প্রদান করব।

১) এই কি- ওয়ার্ড এর কম্পিটিশন কেমন ? ২) প্রতি মাসে কি পরিমান গ্লোবাল সার্চ দেওয়া হয় ৩)  লোকাল সার্চ কি পরমান দেওয়া হয় ?

PPC Management Software  এর গ্রুপ রেজাল্ট কম্পিটিশন Low।  তার মানে খুবই পাওয়ার ফুল একটা কি- ওয়ার্ড কাজ শুরু করার জন্য। কারন কম্পিটিশন হয় ৩ ভাবে লো, মিডিয়াম, হাই। এই টা মিডিয়াম তার মানে এই কি- ওয়ার্ড এ প্রচুর ভিজিটর আসে। আমরা দেখছি ১৮০০০ ভিজিটর প্রতিমাসে সার্চ দেই। আপনি একটু চিন্তা করেন যদি আপনার সাইট ১ নাম্বারে থাকে তাহলে প্রতি মাসে আপনার সাইট এর একটা কি-  ওয়ার্ড এর জন্য ভিজিটর আসবে ওই পরিমান। আর সাইট এ যখন ভিজিটর আসবে প্রচুর তখন ইনকাম ও আসবে সেই পরিমান। এই রকম যদি আপনি ২ টা কি- ওয়ার্ড গ্রুপ কে আপনি সার্চ ইঞ্জিন এর ১ নাম্বার পজিশনে আনতে পারেন। তাহলে প্রতি মাসে আপনার সাইট এর ভিজিটর আসবে কি পরিমান এইটা আপনি ভাবেন। তাই আমি আপনাদেরকে বলব সাইট এ কাজ করার পূর্বে কি- ওয়ার্ড রিসার্চ এর গুরুত্ব বা প্রাধান্য দিতে হবে আগে।

আজকের আলোচনা আপাতত এই পর্যন্ত। সামনে এডভান্সে কি-ওয়ার্ড রিসার্চ নিয়ে আরও একটি আলোচনা থাকবে। মনে রাখবেন কি-ওয়ার্ড রিসার্চ যদি সঠিকভাবে না করতে পারেন তবে আপনার সমস্ত কষ্টই বৃথা যাবে। সবার কি-ওয়ার্ড রিসার্চ আরও ভালো হোক এই কামনা রেখে আজকের মত এখানে শেষ। সামনে অন্য একটি লেখাতে আবার কথা হবে।

কোথাও বুঝতে সমস্যা হলে  কমেন্ট করে জানাবেন। আর কেমন লাগলো সেটা জানাতে ভুলবেন না আশা করি। ভালো লাগলে সবার মাঝে লেখাটি শেয়ার করবেন। ভালো থাকবেন এইকামনা। আল্লাহ হাফেজ।

Comments

comments

Leave a Comment