সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনঃ বেসিক গাইডলাইন

আজকে মূলত লিখব সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন ফান্ডামেন্টাল নিয়ে। এস ই ও এর খুঁটিনাটি বিষয়ে আজকে আমরা আলোচনা করব। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন এর উৎপত্তি সম্পর্কে কারর কিছু জানার দরকার আছে কিনা জানি না? কিন্তু আমি এটা জানতে পেরে খুব আশ্চর্য হয়েছিলাম যে, এটাই একমাত্র মৌলিক ওয়ে বা পথ, যা অনলাইন বিজনেসকে  একটি সু গঠিত এবং সু নিয়ন্ত্রিত দর্শক প্রদান করতে পারে। সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন মূলত একটা প্রচারনা ব্যবস্থার অংশ বিশেষ। কিন্তু যথেষ্ট ক্ষমতা আছে এই প্রচারণা ব্যবস্থার। যেহেতু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন সম্পর্কে কথা বলব তো আমরা সার্চ ইঞ্জিন সম্পর্কে আগে একটু জেনে নিই।

গুগলের উৎপত্তি

google-plus-banner

গুগল ২ জন ব্যাক্তি গুগলের উৎপত্তি করে। একজন হলেন সারগে ব্রেইন এবং অপরজন হলেন ল্যারি পেজ।দুই বন্ধু নিজেদের যোগ্যতা বলে তৈরি করেছে গুগল সার্চ ইঞ্জিন। মজার বিষয় হল গুগল এর উৎপত্তির পূর্বে সার্চ করার জন্য এক ভিন্ন ধরণের পদ্ধতি ব্যবহার করা হত। সেই সময়ে দর্শকরা শুধুমাত্র টেক্সট টাইপ ডকুমেন্ট খুজে পাওয়ার জন্য সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করত। গুগল মাল্টিমিডিয়া টাইপকে সফলভাবে তার সার্চ ইঞ্জিনে ব্যবহার করতে সক্ষম হয়।এরপর গুগল এর সার্চ রেজাল্ট ছিল এমন যা, মানুষের মনেরভাব সঠিকরুপে প্রকাশ করত। তাই এর ব্যবহার দিন দিন বাড়তে থাকে।

পূর্বের সার্চ ইঞ্জিনগুলোর সার্চ করার ক্ষমতা ছিল কি-ওয়ার্ড হিসেবে। যার জত বেশি কি- ওয়ার্ড ছিল সে সার্চ রেজাল্টে তত বেশি উপরে অবস্থান করত। মজার বিষয় আপনি যদি একটা ডকুমেন্টে ১০০ কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতেন এবং আপনার কম্পেটিটার যদি আপনার হতে একটি কি-ওয়ার্ড বেশি ব্যবহার করে তবে সে আপনার থেকে উপরে অবস্থান করত। যদিও এখন আর সেই সহজ পদ্ধতি নেই। সার্চ ইঞ্জিন এখন বেশ কিছু টপিকস এর উপরে ভর করে তার সার্চ রেজাল্ট দিয়ে থাকে। আর এই সকল টপিকসগুলই হল সেই মূল্যবান বিষয় যার সম্পর্কে আপনার জানা দরকার।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন কি?

search-engine-optimization-banner

 সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন হল অনেকের মধ্যে একটি পদ্ধতি যা কোন সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন এর অবস্থান নির্ধারণ করে। অর্থাৎ এটি একটি প্রচারনা মাধ্যম।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর একটি নির্দিষ্ট অপটিমাজেশন প্রণালী আছে। প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য এই নিয়ম অনেক ক্ষেত্রে ভিন্ন ভিন্ন। তবে সকলে কিছু জিনিস ব্যবহার করে যা সকল সার্চ ইঞ্জিনে বিদ্যমান।প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য প্রচারণা ব্যবস্থা উপর  একটু হলেও কিছুটা পার্থক্য আছে। আমাদের প্রয়োজনীয় বিষয় হচ্ছে সেই সমান দিক গুলোকে ব্যবহার করা।

সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন এর প্রকারভেদঃ যদিও এর নির্দিষ্ট কোন প্রকারভেদ নেই তবুও আমরা সকলের সঙ্গে তাল মিলিয়ে বলতে পারি সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাজেশন ২ ধরনের হয়ে থাকে।

[sociallocker]

হোয়াইট হ্যাট এস ই ওঃ

 প্রতিটি সার্চ ইঞ্জিন এরই  নির্দিষ্ট কিছু বেধে দেওয়া নিয়ম আছে। এই সকল নিয়মগুলোকে মেনে যে এস ই ও করা হয় তাকেই হোয়াইট হ্যাট বলে। হোয়াইট হ্যাট এস ই ও কে আবার ইথিক্যাল এস ই ও বলা হয়। এই ইথিক্যাল এর দুটি ধাপ আছে।

১) অনপেজ এস ই ও

২) অফপেজ এস ই ও

মূলত আমরা এই দুই প্রকারের এস ইও নিয়ে আলোচনা করব। এই দুই প্রকার এস ই ও-ই হচ্ছে অনলাইনে নিজের বিজনেসজকে একটি সন্মান জনক অবস্থানে নিয়ে যাওয়ার সঠিকপন্থা। যা সার্চ ইঞ্জিন সর্বদা সাপোর্ট করে।

 ব্লাক হ্যাট এস ই ও

 হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর বিপরীত হল ব্লাক হ্যাট এস ই ও । অর্থাৎ এটি সর্বক্ষেত্রে সার্চ ইঞ্জিন এর বেধে দেওয়া রুল ভঙ্গ করে। যার জন্য সার্চ একে তার চরম শত্রু বলে মনে করে। আমাদের উচিত হবে ব্লাক হ্যাট এস ই ও কে সর্বক্ষেত্রে বর্জন করা।ব্লাক হ্যাট এস ই ও আবার দুইভাবে ব্যবহার হয়।

১) অনপেজ এস ই ও

২) ব্লাক হ্যাঁ এস ই ও

যদিও অনেকেই মনে করেন এস ই ও এর আরও একটি ধাপ আছে যা, দুয়ের মাঝামাঝি অবস্থান করে। যদিও সেই বিষয়ে আমরা মোটেও আলোচনা করতেছি না।

হোয়াইট হ্যাট এস ই ও

 আমরা পূর্বেই জানছি যে হোয়াইট হ্যাট এস ই ও ২ ধরনের হয়ে থাকে একটি হল অনপেজ এস ই ও, এবং অফপেজ এস ই ও। আমরা এখন এই ২ প্রকারের এস ই ও সম্পর্কে আলোচনা করব।

অনপেজ এস ই ওঃ

 অনপেজ এস ই ও হল সেই সব এস ই ও যা আপনার ওয়েব সাইট এর প্রতি কনটেন্ট এর জন্য করতে হয়। এবং প্রতিটি পেজেই এর আওতাধীন। অর্থাৎ প্রতিটি পেজেও জন্যই আপনি অনপেজ এস ই ও করতে পারেন। কিছু অনেপজ এস ই ও এর নির্ধারিত টপিকস আমরা নিচে আলোচনা করব।

  • কি-ওয়ার্ড
  • মেটা ট্যাগ
  • Alt- ট্যাগ
  • সাইট ম্যাপ
  • কনটেন্ট
  • RSS
  • H ট্যাগস

এগুলোই মূলত অনপেজ এস ই ও এর অংশ। মজার বিষয় এর ভিতরে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র বিষয় সমূহ আছে যা সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন  এর জন্য অনেক গুরুত্বপূর্ণ।

কি- ওয়ার্ডঃ

 আজকে যদিও কি- ওয়ার্ড বিষয়ে তেমন কিছু বলব না। একটা সাইট শুরু করার পূর্বে যে বিষয়টা প্রথমে চিন্তা করা লাগে তা হল কি- ওয়ার্ড। আর এই কি- ওয়ার্ড এর জন্য  একটি স্পেশাল পোস্ট থাকবে। যাতে পুরা বিষয় তা ক্লিয়ারভাবে বিস্তারিত আলোচনা করব। তবে আমরা আজকে জানব কি – ওয়ার্ড আসলে কি?

কি- ওয়ার্ড হল সেই সকল টেক্সট যা, আপনার মনের ভাব সংক্ষিপ্তভাবে প্রকাশ করতে পারে। এটি ব্যাতিত আপনার অনলাইন বিজনেস প্রায় না এর মত।

মেটা ট্যাগঃ

 এটি একটি প্রসেস যা কি- ওয়ার্ড কে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে পৌছায়ে দিতে সাহায্য করে।

Alt- ট্যাগঃ

 একটি ট্যাগ যা আপনার ইমেজ বা অন্যান্য কোন মিডিয়া ফাইলকে সার্চ ইঞ্জিন এর কাছে নাম সহ প্রেরন করে। অনেক ক্ষেত্রে Alt- ট্যাগ মিডিয়া ফাইল লোড না হলে শো করে।

সাইট ম্যাপঃ

 এটি হল একটি লিঙ্ক লিস্ট। যা আপনার সাইট এর সম্পূর্ণ কঙ্কাল চিত্র প্রকাশ করে। অর্থাৎ এই পেজে আপনি সকল লিঙ্ক রাখতে পারেন যা আপনার সাইট এ বর্তমান আছে। সাইট ম্যাপের ভিতর আপনার সাইট এর প্রতিটি লিঙ্ক লিস্ট আকারে থাকে।

কনটেন্টঃ

 আপনার সাইট এর প্রতিটি উপকরন এক একটি কনটেন্ট। কনটেন্ট ব্যতিত কোন ওয়েবসাইট এর উপস্থিতি প্রায় অসম্ভব। আপনার সাইট এর আর্টিকেল থেকে শুরু করে জ্যা কোন ইমেজ পর্যন্ত এক একটি কনটেন্ট। সার্চ ইঞ্জিনে কনটেন্ট এর ভ্যালু অনেক বেশি।

RSS:

 এটি হল সাইট এর একটি অভ্যন্তরীণ ডাটা টাইপ। এর মাধ্যমে আপনি আপনার সাইট এর সার্চ ইঞ্জিন ভিজিবিলিটি বাড়াইতে পারেন। এখানে শুধু মাত্র ধারনা প্রদান করা হল। পূর্ণ বিষয়টি পরবর্তীতে বিস্তারিতভাবে বর্ণনা করা হবে।

ট্যাগসঃ

 এটি হল আপনার সাইট এর হেডার ট্যাগ। এই ট্যাগের গুরুত্ব অপরিসীম। সার্চ ইঞ্জিনে এটি আপনার সাইট এর মেইন ওয়ার্ড হিসেবে ব্যবহারিত হয়ে থাকে। এর ব্যবহার নির্দিষ্ট কিছু অংশে করতে হয়।

যদিও অনপেজ অপটিমাইজেশন মাত্র এই কয়টি বিষয়ের উপর নির্ভর করে না। তারপরও আমরা এই কয়টি বিষয়কেই প্রাধান্য দিব। অন্যান্য প্রয়োজনীয় বিষয়সমূহ আমার ব্লগে গেলে পাবেন। তবে ব্লগের নামটি আমি ক্লাস সম্পূর্ণ হওয়ার পরে শেয়ার করব।

অফপেজ এস ই ওঃ

 অফপেজ এস ই ও হল সেই ধরনের এস ই ও যা আপনার সাইট এর বাহিরে করা হয়। এটিকে একটি বিষদভাবে বিস্তৃত মাঠের সাথে তুলনা করা যায়, যেখানে ভিন্ন ভিন্ন প্লেয়ার ভিন্ন ভিন্নভাবে তাদের প্রাকটিস করে।অফপেজ এস ই ও এর ভিতরে মূলত ২ ধরনের প্রচারণা ব্যবস্থা থাকে। একটি হল লিঙ্ক বিল্ডিং, এবং অপরটি কনটেন্ট শেয়ারিং। যদিও এটি কোন ধরনের বিভাজন ন।তবে এটি আপনাদের বোঝানর স্বার্থে আমি ভেঙ্গে প্রকাশ করলাম।

  • ব্যাক লিঙ্কিং,
  • আর্টিকেল রাইটিং,
  • অ্যাংকর টেক্সট,
  • ব্লগ কমেন্ট,
  • ফোরাম পোস্টিং,
  • সোশ্যাল বুকমারকিং,
  • ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং ,
  • আর্টিকেল সাবমিশন,
  • ডিরেক্টরি সাবমিশন,
  • লিঙ্ক হুইল,
  • লিঙ্ক এক্সচেন্জ ,
  • RSS সাবমিশন,
  • Review Site সাবমিশন,
  • Classified সাবমিশন,
  • সার্চ ইঞ্জিন সাবমিশন,
  • প্রোফাইল পোস্টিং,
  • CSS  সাবমিশন,
  • ভিডিও পোস্টিং,
  • ইমেজ পোস্টিং,
  • পিডিএফ সাবমিশন ।

অনলাইনে অফপেজ প্রচারণায় বহুল ব্যবহারিত প্রসেস হচ্ছে লিঙ্ক বিল্ডিং। বেশিরভাগ অফপেজ প্রচারনার-ই মুল হচ্ছে লিঙ্ক বিল্ডিং। যদিও এই বিষয়ে অনেকের অনেক মত আছে। আমি আমার মত টিকেই নিজে বেশি প্রাধান্য দিয়ে থাকি। এবং এর ফলাফল আমি সব সময় পেয়ে থাকি। আমরা এই বিষয়ে না প্যাঁচায়ে সোজাসুজি ভিন্ন ভিন্ন টপিকস সম্পর্কে ধারনা দেওয়ার চেষ্টা করি।

ব্যাকলিঙ্কিং:

 অন্য কোন পেজে(আরও পরিষ্কারভাবে ওপরের ওয়েবসাইট এ/ নিজের অন্য ওয়েবসাইট হলেও চলবে)আপনার লিঙ্ক প্রচার করাকেই ব্যাকলিঙ্কিং বলে।এটি যেকোনো ধরনের সাইট এ হতে পারে।

আর্টিকেল রাইটিং বা গেস্ট রাইটিংঃ

অন্য কোন ব্যক্তির সাইট এ আর্টিকেল লেখার মাধ্যমে নিজের ওয়েব সাইট প্রচার করার প্রক্রিয়া কে গেস্ট রাইটিং বলে ( এটা গেস্ট রাইটিং এর প্রকৃত সংজ্ঞা না,শুধুমাত্র বোঝার জন্য বলা হয়েছে)।

কনটেন্ট শেয়ারিং

 কনটেন্ট শেয়ারিং হল অফপেজ এস ই ও এর আরেকটি গ্রহণযোগ্য পন্থা। আপনি আপনার যে কোন কনটেন্ট কোন কনটেন্ট শেয়ারিং সাইট এ সাবমিট করে আপনার সাইট এর অফপেজ এস ই ও করতে পারেন। এটি খুবি সহজ এবং অনেক প্রভাবশালী প্রক্রিয়া।

ব্লগ কমেন্ট (Blog Comment):

ব্লগ কমেন্টের মাধ্যমে আপনি লিংক তৈরি করতে পারেন। তবে আপনি এখানে কি- ওয়ার্ড প্রক্রিত মূল্য পবান না। কারন এখানে সুধু সাইট এর লিংক টা বিবেচনা করা হয়। নতুনদের হইত বুঝতে কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু কষ্ট পাওয়ার কিছু নেই। কাজ দেখাই দিলে পানির মত সোজা মনে হবে। তাই চিন্তা করার কোন কারন নেই।

ফোরাম পোস্টিং (Forum Posting):

ফোরাম পোস্টিং এর মাধ্যমে ৩ টা উপকার হই একটা হচ্ছে আপনার সাইট এর ওরিজিনাল লিংক দিতে পারেন, দ্বিতীয় টা হচ্ছে আপনি আপনার কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করে ব্যাক লিংক করতে পারেন। তৃতীয় টা হচ্ছে আপনি পোস্টের মাধ্যমে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর আনতে পারেন। যে সব ফোরামে প্রচুর ভিজিটর আসে সেই ফোরাম গুলাতে কাজ করলে প্রচুর পরিমানে লাভ হয়। জার স্বয়ং প্রমান আমি নিজে। আমার সাইট এর জন্য মারাত্তক একটা হাই কম্পিটিশনের কি- ওয়ার্ড চয়েজ করলাম। এবং প্রচুর পরিমানে ফোরাম পোস্টিং করলাম। আমার সাইট মাত্র ১৫ দিনে গুগলের ২ নম্বর পেজে চলে আসছে। তাহলে বুঝতে পারছেন ফোরাম পোস্টিং এর গুরুত্ব কত।

ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং (Yahoo Answer Back linking):

সাইট এ যে বিষয়ের উপর ইয়াহু এন্সার এ যেয়ে সেই ধরনের রিলেটিভ প্রশ্ন খুজে সাইট এর লিংক দেওয়া এটা হচ্ছে ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং । এইটা থেকে প্রচুর ভিজিটর গেইন করা যাই। এইটার উপর গুরুত্ব দিতে হবে। কিন্তু বেশি একটা না। না দিলেও চলে। তবে যারা প্রতি মাসে হিউজ ভিজিটর গেইন করতে চান তাদের জন্য ইয়াহু এন্সার ব্যাকলিঙ্কং জরুরী।

লিঙ্ক হুইল(Link Wheel):

লিংক হুইল হচ্ছে বিভিন্ন ধরনের ফ্রী ব্লগে আর্টিকেল লিখে টার ভিতর নিজের সাইট এর একটা কি- ওয়ার্ড কে লিংক করে দেওয়া হচ্ছে লিংক হুইল। আর্টিকেল লিখতে হবে নিজের সাইট রিলেটেড। সাইট এর সাথে আর্টিকেল অবশ্যই সম্পৃক্ত থাকতে হবে। আমি আগেই বলে দিছি আর্টিকেল লেখার ক্ষেত্রে প্রতি ১০০ ওয়ার্ড অবশ্যই ৩ টি কি – ওয়ার্ড থাকতে হবে। তবে এই ক্ষেত্রে নিজের সাইট এর যে মেইন কি- ওয়ার্ড আছে সেই কি- ওয়ার্ড ব্যবহার করতে হবে। ধরুন ৫০০ ওয়ার্ড এর একটি আর্টিকেল আপনি লিখলেন। টার ভিতর ১৫ টা কি -ওয়ার্ড ব্যবহার করলেন। আপনি যে কোন একটি কে আপনার সাইট এর লিংক হিসেবে ব্যবহার করলেন বাকি ১৪ টাকে হাইলাইট করে দিবেন। এটাই হচ্ছে লিংক হুইল।

লিঙ্ক এক্সচেন্জঃ

 লিঙ্ক এক্সচেন্জ একসময়  সবচেয়ে পাওয়ার ফুল লিংক ছিল লিঙ্কবিল্ডিং এর মধ্যে । আপনি একটি সাইট এ আপনার লিংক দিলেন। বিনিময়ে আপনি ওই সাইট এর লিংক প্রচার করলে।এতে করে আপনার খুব তাড়াতাড়ি পেজ রাঙ্ক পেতে সাহায্য করবে। অনেক সময় দেখা যাই উচ্চ পেজ রাঙ্কের সাইট এ আপনার সাইট এর লিংক দিতে গেলে ডলার দিতে হয়। এই টা হচ্ছে লিঙ্ক এক্সচেন্জ।

এটিই ছিল হোয়াইট হ্যাট এস ই ও এর অতি সংক্ষিপ্ত বর্ণনা। এর থেকে বিষদ বর্ণনার প্রয়োজন অবশ্যই আছে। কিন্তু আপাতত নেই। যদি আপনি এর থেকে বেশি জানতে চান তবে আপনি আমার সোশ্যাল প্ল্যাতফর্মগুলোর সাথে একটিভ থাকুন।

Basic SEO

ব্লাক হ্যাট এস ই ওঃ

 এটি হল এস ই ও এর সম্পূর্ণ বর্জনমূলক বিষয়। এটির ব্যবহার না করায় ভাল। কিন্তু আপনাদের সুবিধার্থে আমি কিছু প্রসেস এর নাম উল্লেখ করে দিচ্ছি। আমি আশা করব আপনারা কেউ এই বিষয়গুলাকে কখন-ই আপনার সাইট এ ব্যবহার করবেন না।

  • কি- ওয়ার্ড স্টাফিং
  • ক্লকিং
  • ডোরওয়ে পেজ
  • আক্সেসিভ কি-ওয়ার্ড
  • নো স্ক্রিপ্টিং
  • লিঙ্ক ফার্ম
  • হিডেন কনটেন্ট
  • আইপি ডেলিভারি
  • পেইড লিস্ট
  • ৩০১ রিডাইরেকটিং
  • ব্র্যান্ড জাকিং
  • গুগল বলিং
  • হিডেন লিঙ্ক

ক্লকিং (Cloaking):

এটা এমন একটা টেকনিক যেটা সার্চ ইন্জিনকে এক ধরনের কনটেন্ট দেখাবে আর ইউজারকে অন্যরকম কনটেন্ট দেখায়।এই পদ্ধতিটি তে যখন সার্ভারে কোন পেজের জন্য রিকোয়েস্ট যায় তখন আইপি এড্রেস বা ইউজার এজেন্ট দেখে বুঝে ফেলে এটা কোন সার্চ ইন্জিনের বট/ক্রাউলার/স্পাইডার/স্কুটার নাকি মানুষ।যখন দেখে স্পাইডার তখন এক ধরনের পেজ দেখায় আর মানুষ হলে আরেক ধরনের পেজ। এইটা  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।

লিংক ফার্ম (Link farm):

লিংক ফার্ম হচ্ছে বেশ কিছু ওয়েবসাইট খুলে প্রতিটি সাইটের লিংক প্রতিটি সাইটে দেয়া।ফলে প্রতিটি সাইটের ব্যাকলিংক বৃদ্ধি পেল।এসব ধরা পরলে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং এ গগনা করবে।

স্পামেডেক্সিং হচ্ছে সার্চ ইন্জিন আপনার সাইটকে এমনভাবে চিহ্নিত করবে যেন আপনি তাদের দেয়া গাইডলাইন ভঙ্গ করেছেন।আপনার সাইটকে যদি সার্চ ইন্জিন স্পামডেক্সিং করে ফেলে তাহলে আপনার পুরো SEO ব্যর্থতায় পর্যবশিত হল।বিভিন্ন কারনে আপনার সাইটকে স্পামডেক্সিং করতে পারে যেমন লিংক ফার্ম করলে,কিওয়ার্ড স্টাফিং করলে,ডুরওয়ে (Doorway pages) পেজ বানালে,ক্লকিং, সোজা কথা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও করলে।

কিওয়ার্ড স্টাফিং (Keyword Stuffing):

এটা ব্ল্যাক হ্যাট এসইও’র অংশ।ইউজার যেসব কিওয়ার্ড লিখে সার্চ দিতে পারে এধরনের কিওয়ার্ডগুলি দিয়ে পেজ ভর্তি করা অর্থ্যাৎ কিওয়ার্ড ওভারলোডিং।অনেকসময় ইনপুট ট্যাগে hidden এট্রিবিউট দিয়ে এধরনের কিওয়ার্ড ঢুকিয়ে দেয় ফলে ইউজারের কাছে এসব টেক্সট অদৃশ্য থাকে আর সার্চ ইন্জিনকে এসব পড়তে হয়।আবার পেজের রং যা আছে টেক্সটের রংও তাই করে দেয় ফলে ইউজার দেখতে পারেনা কিন্তু সার্চ ইন্জিন দেখে।কিওয়ার্ড স্টাফিংকে অনেক সময় কিওয়ার্ড লোডিং বলা হয়।এইটা  ব্ল্যাক হ্যাট এসইও (Black hat SEO)।

এগুলো হল ব্ল্যাক হ্যাট এস ই ও এর অন্যতম উল্লেখযোগ্য বিষয় সমূহ। এছাড়াও আরও অনেক পদ্ধতি আছে ।

[/sociallocker]

Comments

comments

Leave a Comment