লিঙ্কবিল্ডিং যখন গলার কাঁটা, সমাধান তখন হাতের মুঠোয়

বর্তমানে এসইও এর চাহিদা অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। অনেকে এটাকে ক্যারিয়ার হিসেবে গ্রহন করেছে। কিন্তু দিনে দিনে এর চাহিদা বেড়ে চললেও অনেকে পিছু হটছে। কারন হিসেবে বিভিন্ন সময় আলোচনার প্রানবিন্দুতে ছিল, সার্চ ইঞ্জিনগুলোর কড়াকড়ি নিয়ম । বর্তমানে যারা এসইও করে, তারা খুব ভালো করে জানেন যে, এসইও তে কাজ করার ধরন টা ঠিক আর পূর্বের মত নেই। এখন এই সেক্টরে কাজ করতে হলে প্রচুর পড়ালেখা আর এক্সপেরিমেন্ট চালাতে হয়। অন্যথায় সার্চ ইঞ্জিনে যে কোন সাইটকে র‍্যাঙ্কে নিয়ে আসা টা অনেক বেশি কঠিন হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বিভিন্ন ফোরামগুলোতে আলোচনাতে বলা হচ্ছে কনটেন্ট এর উপর বেশি জোর দিতে। আমি নিজেও ব্যাক্তিগতভাবে সবাইকে কনটেন্ট এর উপর বেশি জোর দিতে বলেছি, সেই সাথে সোশ্যাল সিগন্যাল আরও বৃদ্ধি করার কথা বলেছি। সেদিন মজের সাইরাস সেপার্ড এর সাথে কথা বলতেছিলাম, সেও একই বিষয়ের উপর জোর দিচ্ছিল।

আর অনপেজ যে র‍্যাঙ্কিং এর জন্য সর্বদা গুরুত্বপূর্ণ এটা সবাই জানি। কিন্তু সমস্যা তে পড়তে হয় অফপেজ বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে। আর বেশিরভাগ অপটিমাইজাররা ফ্রাস্ট্রেশনে ভুগছেন এই অফপেজ বিল্ডিং নিয়ে।

দেখা যাচ্ছে, অফপেজ লিঙ্কবিল্ডিং করতে পারছেন, কিন্তু সেগুলো করার কারনে আবার গুগল থেকে ম্যানুয়াল পেনাল্টি খেতে হচ্ছে। যা কাজের স্ট্রিমিনাকে নষ্ট করে দেয়। যার জন্য অনেকে এই সেক্টর থেকে সরে যাচ্ছেন। একই সাথে যদি শুধুমাত্র কনটেন্ট নিয়ে পড়ে থাকি, তবে সাইট র‍্যাঙ্ক করছে না। এক কথায় একটা সুপরিকল্পিত কাজ শেষ করে উঠা খুবই কঠিন একটা ব্যাপার।

ইতিপূর্বে আমি বলেছি অনেককে যে, প্রাথমিক দিকে অর্থাৎ প্রথম ৩ মাস একটা নতুন ওয়েবসাইট এর জন্য খুবই কঠিন অবস্থাতে পড়তে হবে। কারন কখনও গুগল আপনাকে একদিনে ৩ হাজার ভিজিটর দিতে পারে আবার কখনও গুগল আপনাকে ৩০০ ভিজিটরও দিতে পারে। ফলশ্রুতিতে দেখা যাবে, কখনও বাউন্স রেট বেড়ে যাচ্ছে আবার কখনও বাউন্স রেট কমছে। যা একটা সাইট এর জন্য অত্যান্ত খারাপ। এটা সাধারন লজিকে ধরা হয়। অনেকে এর থেকে পরিত্রান পেতে প্ল্যান এর বাইরে কাজ করে, অর্থাৎ অভার অপটিমাইজ করে ফেলে, আর যখনি সে এই ধরনের কাজের সাথে সম্পৃক্ত হয়, গুগল পরবর্তী আপডেটে এই ধরনের সাইটগুলোকে ম্যানুয়াল পেনাল্টি দিয়ে দেই। কিন্তু এইগুলা থেকে কিভাবে মুক্তি পাবেন ? এই প্রশ্নের উত্তরের জন্য আপনাকে এক্সপেরিমেন্ট চালাতে হবে। কয়েকটি স্ট্র্যাটেজি আপনাকে ফলো করতে হবে। যে স্ট্র্যাটেজি টি আপনি সফল হবেন, সেটা নিয়ে এগুতে হবে। মনে রাখবেন আপনার স্ট্র্যাটেজি সর্বদা কাজ করবে না। সুতরাং এখন কি করবেন ?

আমি বললাম একটা স্ট্র্যাটেজি তৈরি করতে, আপনি এক্সপেরিমেন্ট চালানোর জন্য স্ট্র্যাটেজি করলেন সফলও হলেন, কিন্তু স্ট্র্যাটেজি তৈরির শুরুতেই আপনি ভুল স্ট্র্যাটেজি মাথায় নিয়েছেন

আপনার কোন না কোন স্ট্র্যাটেজি বর্তমানে সফল। আপনি সেই স্ট্র্যাটেজিতে কাজ করতে থাকবেন। এই কাজের ফাকে আপনি এক্সপেরিমেন্ট চালাতে থাকবেন, অবশ্যই সেটা যেন ভবিষ্যতে আপনার পরবর্তী কাজের স্ট্র্যাটেজি হিসেবে কাজে আসে, সেটা নিয়ে এক্সপেরিমেন্ট করবেন। তাহলে আপনার কাজ কখনও থেমেও থাকবে না, আবার আপনি স্ট্র্যাটেজি থেকে পিছিয়েও থাকবেন না।

সুতরাং এই সেক্টরে টিকে থাকতে হয়, তবে আপনাকে পড়ালেখার পাশাপাশি এক্সপেরিমেন্ট এর বিকল্প নেই। দিন যত অতিবাহিত হবে সার্চ ইঞ্জিন ততই কঠিন নিয়ম-কানুন করবে। কিন্তু তার মধ্যে থেকে আপনাকে টিকে থাকতে হবে। এমন কোন স্ট্র্যাটেজি নেই, যেটা দিয়ে আপনি সারাজীবন চলতে পারবেন। আবার এটাভাবাও ভুল যে নতুন স্ট্র্যাটেজি আসবে, সেটা নিয়ে চলতে হবে। না ফর্মুলা একই থাকবে শুধু স্ট্র্যাটেজিতে পরিবর্তন আসবে।

মজের সাইরাস সেপার্ড এর সাথে একটা বিষয়ে আমার মতবিরোধ ছিল , সেটা হচ্ছে “এসইও ডেড” । যদিও তার অবস্থান থেকে সে যুক্তি দেখিয়ে বলেছে। কিন্তু আমিও আমার অবস্থান থেকে তাকে যুক্তি দেখিয়েছি যে, এটা ডেড না। এটা আপগ্রেড। সেও আমার কথা কে ফেলে নি। তার লজিক থেকে তার মিথ ঠিক আমার লজিক থেকে আমার মিথ ঠিক। এখানে আলোচনা তে যে ব্যাপার টা আমি বের করলাম সেটা হচ্ছে, স্ট্র্যাটিজিক্যাল যদি চলা যায়, তবে প্রতিটা ফর্মুলাকেই কাজে লাগানো যায়। আর প্রতিটা অফপেজ বিল্ডিং এর ফর্মুলা আপনাকে সার্চ র‍্যাঙ্কে আসতে সাহায্য করবে।

প্রত্যেকটা ফর্মুলা কে কিভাবে কাজ করে এটা নিয়ে বিস্তর লিখতে হলে, হয়ত আমার বিশাল বড় একটা মহাকাব্য লিখতে হবে। এখানে খুটিনাটি আলোচনা করার মত এখন আর কোন বিষয় নেই। যদি ফর্মুলাগুলোকে কাজে লাগাতে চান, তবে আপনার ব্রেনের লজিকগুলোকে আপগ্রেড করতে হবে। ছোট্ট একটা উদাহরন যদি আমি উল্লেখ করি তবে বিষয়টা আরও ক্লিয়ার হতে পারবেন। গুগল এর একটা আপডেটে বলা হল, ডিরেক্টরি সাবমিশন এখন আর র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর এর জন্য কাজ করবে না। আমি জানি না, আপনি তারপর থেকে কখনও করেছেন কি না ? যদি করে থাকেন, তাহলে উত্তর হয়ত জেনে থাকবেন।

তবে এখানে আমার ২ টা এক্সপেরিয়েন্স আছে। প্রথম টা হচ্ছে, আমি সেটা চেক করার জন্য ডিরেক্টরি তে কাজ করলাম চোখ বন্ধ করে। আমার সাইট র‍্যাঙ্ক হইল । এর কিছুদিন পর আমি একটা ক্লায়েন্ট এর কাজ করলাম, আমি কনফিডেন্ট ছিলাম যে, ডিরেক্টরি আমাকে র‍্যাঙ্ক করাতে সাহায্য করবে। কিন্তু আমি মারাত্মকভাবে সেখানে ক্ষতির সম্মুখীন হলাম। যেটা আমাকে সম্পূর্ণভাবে ফ্র্যাস্ট্রেশনের দিকে ঠেলে দেয়। কারন আমার ততদিনে ৪ মাস কাজ করা হয়ে গেছে। ফলাফল তখন জিরো সাথে ক্লায়েন্ট এর সাইট এর উন্নতি থেকে অবনতি।

আমি ওই কাজটি সম্পূর্ণ বাদ দিয়ে চিন্তা করতে লাগলাম কেন এমন হইল। হটাৎ মজে এমন একটা প্রশ্ন আসলো। সেখানে বেশ কয়েকজন ভাঙ্গা ভাঙ্গা উত্তর দিলেন। কিন্তু তাদের সেই ভাঙ্গা ভাঙ্গা উত্তর আমার সমাধানের পথ হয়ে গেল। আমি চেক করে দেখলাম যে, আমি যেসব ডিরেক্টরি তে কাজ করেছি, তার বেশিরভাগ ই স্প্যাম ডিরেক্টরি।

তখন আসলে বুঝতে পারলাম যে, গুগল কেন এই ডিরেক্টরি সাবমিশন বন্ধ করেছে। আসলে লিঙ্কবিল্ডিং করার জন্য প্রচুর পরিমানে ডিরেক্টরি নেটওয়ার্ক তৈরি হয়। আর যেখানে প্রচুর স্প্যাম হওয়া শুরু করে। ফলে ইনফরমেটিভ কনটেন্ট এর বাইরে অন্য কনটেন্ট সার্চ রেজাল্টে এসে বসে থাকে। ফলে তারা আপডেটে ওই ধরনের ডিরেক্টরি নেটওয়ার্কগুলোকে স্প্যাম লিস্টে ফেলে। ফলে আমার সমস্ত লিঙ্কগুলো স্প্যাম লিঙ্কে পরিনত হয়।

আমি পুনরায় ওয়েবমাস্টার ডিসভাউ থেকে সমস্ত লিঙ্কগুলোকে ডিলিট করার ব্যাবস্থা করি। এবং পুনরায় ডিরেক্টরি লিস্টিং করি। তবে এবার চেক করে নিয়ে করি। কিছু কিছু হাই ডিরেক্টরি তে পেইড লিস্টিং করি। সাইট আবার নিচ থেকে উপরে আসতে থাকে।

এটা থেকে খুব সহজেই এটা ক্লিয়ার হয়েছেন যে, আপনার স্ট্র্যাটেজি কে কিভাবে আপগ্রেড করবেন ? কিভাবে ফর্মুলাগুলোকে কাজে লাগাবেন।

সবার প্রশ্ন থাকে, কিভাবে অফপেজ বিল্ডিং করব ? ইতিপূর্বে লিঙ্কবিল্ডিং গাইডলাইন নিয়ে আমার একটা লেখা আছে এবং ডিজিটাল পয়েন্ট ফোরামে একটা পোস্ট ওঁ আছে লিঙ্ক বিল্ডিং স্ট্র্যাটেজি ২০১৫ । এগুলো পড়ে অনেক কিছু জানতে পারবেন। সাধারন আমি বেশিভাগ কাজ করি ফুটপ্রিন্ট দিয়ে। কারন বর্তমানে লিঙ্কবিল্ডিং করার জন্য সাইট খুজে বের করা অনেক মুশকিল।

কারন টা আমি আগেই বলে দিয়েছি। কেউ এখন আর জুস পাস করতে চায় না। আর বেশিরভাগের ভয় থাকে স্প্যাম এর। যার জন্য ওয়েবমাস্টাররা সবকিছু এখন ম্যানুয়ালি করেন।

কিন্তু এর থেকে কিভাবে পরিত্রান পাও যায়, সেজন্য আমি আর সজিব ভাই মিলে একটা টুলস করার চিন্তা-ভাবনা করলাম। আমাদের কাজ করার সময় সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ ফুটপ্রিন্টগুলো সংরক্ষন করে রাখি। যেগুলো আসলে সবার যেন কাজে লাগে সেই লক্ষ্যে।

টূলসটি ইতিমধ্যে খুব জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। ব্ল্যাকহ্যাট ফোরামে সব বড় বড় এসইও এক্সপার্টরা পর্যন্ত আমাদের টুলসটির প্রশংসা করেছেন। যেটা আমাদের অনেক বড় পাওয়া।

নিচে কয়েকজনের এসইও এক্সপার্ট এর মতামত তুলে ধরলাম আমাদের টুলস সম্পর্কে।

Review

লিঙ্কসার্চিং কিঃ

লিঙ্কসার্চিং আসলে মুলত একটি টূলস। যার মাধ্যমে অতি সহজেই আপনি আপনার টার্গেট এর ফোরাম, ডিরেক্টরি, ব্যাকলিঙ্ক ওয়েবসাইট, উইকি ব্যাকলিঙ্ক, গভ ব্যাকলিঙ্ক ইত্যাদি খুজে পাবেন। শুধু তাই নয় আপনি আপনার চাহিদা মত সাইট খুজে বের করতে পারবেন। অর্থাৎ আপনার কি-ওয়ার্ড রিলেটেড ওয়েবসাইট খুজে পাবেন। যেখানে আপনি লিঙ্কবিল্ডিং করতে পারবেন।

Link-Search-FB-Banner(1)

এটি কিভাবে কাজ করেঃ

লিঙ্কসার্চিং বর্তমানে কাজ করে ফুটপ্রিন্ট এর উপর। ফুটপ্রিন্টগুলো যেন স্প্যাম লিস্টে না যায় সেজন্য প্রতিনিয়ত এটাকে আপডেট করা হয়। যেকোনো ধরনের কি-ওয়ার্ড দিয়ে সার্চ করে অপশনগুলো সিলেক্ট করলে চাহিদা মত ওয়েবসাইট খুজে পাওয়া যাবে।

091

বর্তমানে কি কি করা যাবে এই টুলস দ্বারাঃ

  • ফোরাম পোস্টিং
  • ব্লগ কমেন্টিং
  • ডিরেক্টরি সাবমিশন
  • আর্টিকেল সাবমিশন
  • সোশ্যাল বুকমার্কিং
  • গেস্ট ব্লগিং
  • ডট ইডু ব্যাকলিঙ্ক
  • ডট গভ ব্যাকলিঙ্ক
  • ডুফলো ব্যাকলিঙ্ক

সামনে আরও অনেক ফিচার আসতেছে। তার জন্য সর্বদা চোখে রাখতে হবে লিঙ্কসার্চিং এর ফ্যান পেজে। ম্যানুয়াল লিঙ্কবিল্ডিং এর জন্য লিঙ্কসার্চিং সেরা প্রমান করবে। পরবর্তীতে এটাকে এমনভাবে মডিফাই করা হবে যাতে, যে কেউ শর্টআউট করে পেজ র‍্যাঙ্ক বা পেজ অথোরিটি থেকে লিঙ্কব্যাক পাই।

কেন ব্যবহার করবেনঃ

ইতিমধ্যে অনেক আলোচনা করে ফেলেছি। যেখানে সম্পূর্ণভাবে পড়লে বুঝতে পারা যাবে কেন এই টুলসটি গুরুত্বপূর্ণ। তবুও বলছি, ম্যানুয়াল লিঙ্কবিল্ডি হচ্ছে সব থেকে পাওয়ারফুল লিঙ্ক বিল্ডিং পদ্ধতি। যদি সফটওয়ার ব্যবহার করে লিঙ্ক বিল্ডিং করেন, তবে সেক্ষেত্রে আপডেটে সাইট পেনাল্টি খাওয়ার সম্ভাবনা থাকে ৯০%। তাই এই সম্ভাবনা থেকে নিজেকে মুক্ত রাখতে চাইলে অবশ্যই আপনাকে ম্যানুয়াল লিঙ্কবিল্ডিং করতে হবে। আর ম্যানুয়াল লিঙ্ক বিল্ডিং এর জন্য লিঙ্কসার্চিং এর বিকল্প খুজে পাওয়া টা কষ্ট। আমরা জানি যে, এই ধরনের সার্ভিস স্ক্র্যাপবক্স দিয়ে থাকে। কিন্তু তারা প্রতিমাসে বিশাল বড় অঙ্কের একটা সার্ভিস চার্জ নেই। কিন্তু লিঙ্কসার্চিং ব্যাবহারের জন্য কিছুই দিতে হবে না।

আশা করি লিঙ্কসার্চিং আপনাদের কাজের জন্য অনেক বেশীই সাহায্য করবে। অফপেজ মার্কেটিং নিয়ে কষ্ট যাতে আপনাদের কম করতে হয়, সে লক্ষ্যে কাজ করেছি আমি আর সজিব ভাই। এই কাজের পেছনে আরও ৩ জন মানুষ এর প্রতি সত্যি কৃতজ্ঞ। সাইট এর ডিজাইন করেছে সাহায্য করেছেন খন্দকার রাসেল, সম্পূর্ণ সাইটে এর ডেভেলপ করেছেন প্রাণপ্রিয় জাহিরুল ইসলাম মামুন ভাই এবং সাইট এর কনটেন্ট আপডেট করেছেন কনটেন্ট ডেভেলপার শফিকুল ভাই।

স্পেশালি সজীব ভাইয়ের কথা উল্লেখ করতে হয়, কারন এই লোকটা সাইট ফুটপ্রিন্ট নিয়ে অনেক কাজ করেছেন। সব থেকে সেরা টা যাতে আপনাদের দিতে পারে, সেই জন্য অক্লান্ত পরিশ্রম করেছে। প্রায় ৫ হাজার ফুটপ্রিন এর মধ্যে থেকে বাছাই করে সেরা কয়েকটি ফুটপ্রিন্ট তৈরি করেছে। এবং ফুটপ্রিন্টগুলো কাস্টমাইজ যেন করা যায় সেভাবেই করেছেন। অনেক অনেক ধন্যবাদ তাকে।

সবাই আমাদের টুলসটি ব্যবহার করুন। আপনার বন্ধুদের মাঝে শেয়ার করবেন অবশ্যই। আর যদি কৃতজ্ঞটা জানাতে চান, তবে টুইটারে  আপনার অ্যাকাউন্ট থেকে আমাদের টুলস সম্পর্কে একটা টূইট করুন। SEO হ্যাশট্যাগ ব্যবহার করে আমাদের টুইটার অ্যাকাউন্ট ( @LinkSearching) মেনশন করেবন। সবাই ভালো থাকুন । সুস্থ থাকুন। হ্যাপি লিঙ্কবিল্ডিং !

Comments

comments

Leave a Comment