টুইটার মার্কেটিং গাইডলাইন

টুইটার কি এবং কেন গুরুত্বপূর্ণঃ

টুইটার একটি জনপ্রিয় ফ্রী মাইক্রোব্লগিং প্ল্যাটফর্ম। যেখানে একজন নিবন্ধন ব্যাক্তি ১৪০ শব্দের মধ্যে তার মতামত বা মনের কথা ব্যাক্ত করেন। যাকে বলা হয়ে থাকে টুইট। সারা বিশ্বে  ২০০ মিলিয়ন এর মত একটি কমিউনিটির প্ল্যাটফর্ম। এটাকে সোশ্যাল নেটওয়ার্কিং ওয়েব সাইটও বলা হয়। অর্থাৎ সারা বিশ্বের ২০০ মিলিয়নের মত মানুষ  এই প্ল্যাফর্মে প্রতিনিয়ত বিচরন করছে।

মার্কেটিং এর জন্য প্রয়োজন হয় আমাদের একটা কমিউনিটি প্ল্যাটফর্ম। আর সেটার জন্য বাছাই করলে আপনি টুইটারকে খুব সহজেই বাছাই করতে পারেন। যে সকল কারনে আপনি টুইটারকে বাছাই করে নিবেন আপনার বিজনেস কে আরও অগ্রসর করে নেওয়ার জন্যঃ

     ►  কাস্টমারদের সাথে সর্বদা সংযুক্ত থাকার জন্য। এতে করে আপনি কি ধরনের প্রোডাক্ট কাস্টমার এর চাহিদা সেগুলো জানতে পারবেন। 

     ► সম্পর্ক তৈরি করার জন্য। টুইটারের মাধ্যমে আপনি অনেক মানুষের সাথে সম্পর্ক তৈরি করতে পারবেন। যা আপনার বিজনেসের উপর পজেটিভ প্রভাব পড়বে।

     ► ব্র্যান্ড তৈরির ক্ষেত্রে। একটা বিশ্বস্ত ব্র্যান্ড হিসেবে দাড় করাতে চাইলে টুইটারের ভুমিকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

     ► প্রোডাক্ট মার্কেটিং এর জন্য টুইটার একটি গুরুত্বপূর্ণ মাধ্যম।

     ► প্রোডাক্টের ফিডব্যাক নেওয়ার জন্য আপনি টুইটারকে বেছে নিতে পারেন।

     ► অনলাইন রেপুটেশন বৃদ্ধির জন্য টুইটার কে বাছাই করতে হবে।

     ► প্রোডাক্ট সেল বৃদ্ধির জন্য বা পেইড মার্কেটিং করার জন্য টুইটার খুবই প্রফোবিটেবল।

Tafser Ahmed
[sociallocker]

কাস্টমাইজেশনঃ

একটা ভালো মানের এবং প্রফেশনালমানের টুইটার অ্যাকাউন্ট এর ভ্যালু কয়েক হাজার নিম্ন মানের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে। যখন একটা একটা টুইটার অ্যাকাউন্ট প্রফেশনাল হয়, তখন মানুষ এমনিতে চোখে পড়ার সাথে সাথে সেটা কে ফলো করে।একটা উদাহরণ দিই, যদি হাজার হাজার মেয়ে যায় তবে তার ভিতর যদি একটা মেয়ে দেখতে অনেক সুন্দর এবং ফর্সা হয় তবে সবাই তার দিকে সবাই লক্ষ্য করে। তবে যদি ঠিক ওই মেয়েটা যদি কোনভাবে অপরিচ্ছন্নভাবে থাকে, তবে তার দিকে তাকানোর পর পরই সবাই মুখ ফিরিয়ে নিবে। ঠিক একটা প্রোফাইলের গুরুত্বটা এমন। যখন প্রোফাইল টা গোছান একটা প্রফেশনালমানের প্রোফাইল হবে, তখন মানুষ শুধু ফলো না, আপনার আপডেট জানার জন্য আপনাকে ফলো করে রাখবে। আর সেটা হবে আপনার জন্য অত্যন্ত আনন্দদায়ক খবর। তো একটু দেখে নিই কোন বিষয়গুলা থাকা প্রয়োজন কাস্টমাইজেশন অপশনেঃ

      ► আপনার পার্সোনাল অ্যাকাউন্ট হয় তবে একটা প্রফেশনাল লুক আছে ছবি তে এমন একটি ছবি ব্যাবহার করুন। যদি কোম্পানি অ্যাকাউন্ট হয় তবে কোম্পানির সুন্দর একটা লোগো দিন। যে লোগো দ্বারা কোম্পানির বৈশিষ্ট্য বিবেচনা করা যায় যে, কোম্পানিটা কতটা প্রফেশনাল।

      ► ১৬০ শব্দের ভিতর সুন্দর একটা বায়ো লিখুন(স্পেস সহ)। বায়োর ভিতর কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন। আপনার পটেনশিয়াল ফলোয়ারসদের জন্য। যে কি-ওয়ার্ড এর মাধ্যমে আপনাকে খুজে পাবে।

      ► একটা কাভার ফটো তৈরি করুন।

      ► প্রফেশনাল মানের একটি ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজ ক্রিয়েট করতে হবে। ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে একটা জিনিস মাথায় রাখবেন ইমেজ টা যেন কোন প্রোডাক্ট সেল বা অ্যাডস জাতীয় কিছু না হয়। ব্যাকগ্রাউন্ড ইমেজটি যেন অবশ্যই ৮০০ কিলোবাইট এর নিচে হয়। আর সাইজ এর জন্য আমি রিকমান্ড করব ১৬০০*১২০০ পিক্সেল। এই সাইজ টা ফুল ব্যাকগ্রাউন্ডের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য। তাছারা যদি চিন্তা করেন যে যেকোনো একটা সাইটের ব্যাকগ্রউন্ড পরিবর্তন করবেন তবে সেটাও হবে। কিন্তু প্রত্যেকটা ইমেজ তৈরির ক্ষেত্রে মাথায় থাকতে হবে ছবির ছবির সাইজের সাথে যেন রেজুলেশন এর কোন পার্থক্য না হয়। মনিটরের সাথে যেন সেটা মিশে থাকে।

 

 টুলস এর ব্যবহারঃ

আমি হইত জানি না যে, আপনি টুইটার মার্কেটিংকে কতটুকু সিরিয়াসভাবে নিয়েছেন। কিন্তু এতটুকু বলতে পারি যে, সোশ্যাল মিডিয়াতে সব থেকে পাওয়ারফুল মার্কেটিং ওয়ে বা মাধ্যম হচ্ছে টুইটার মার্কেটিং। যার জন্য টুইটার মার্কেটিং এর অনেক থার্ড পার্টি টুলস বের হয়েছে যেগুলা মার্কেটিং করার ক্ষেত্রে অনেক বেশি সুযোগ-সুবিধা প্রদান করে থাকে। আর যদি চিন্তা করেই থাকেন যে, একজন ভালমানের টুইটার মার্কেটার হবেন, সেক্ষেত্রে নিচের টুলসগুলো সর্বদা আপনার জন্য। অনলাইনে খুজলে শত শত টুলস পাওয়া যাবে। আপনি চাইলে সেখান থেকে খুজে ব্যবহার করতে পারেন। নিচের টুলসগুলো নিতান্তই আমার কাজের জন্য ব্যবহার করি। এক কথায়, এই টুলসগুলো আমার ফেভারিট সেই সাথে ট্রাস্ট।

twitter-tools

      ► টুইপিক (TwiPic): এই টুলস টি ব্যবহার করলে আপনি ভিডিও এবং ছবি আপনার টুইটের সাথে পোস্ট করতে পারবেন। যদি আপনি কম্পিউটারের বাইরে থেকে পোস্ট করতে চান তবে Twitterific অ্যাপ ব্যবহার করতে পারেন। 

      ► কিউটার (QwItter): এটি ব্যবহার করলে আপনি দেখতে পাবেন আপনি যাদের কে ফলো করেছেন তারা আপনাকে ফলো করছে কিনা। যদি ফলো না করে থাকে তবে আপনি তাদেরকে মেইল পাঠাতে পারবেন। এই টুলসটি নিজে নিজে আপনাকে যারা ফলো করেনি তাদেরকে সতর্কমূলক মেইল পাঠাবে।

       ম্যানেজফিল্টার (ManageFilter): ম্যানেজ ফিল্টার একটা অসাধারন টুলস। এই টুলসটি আপনার সমস্ত ফলোয়ারসদের ফিডে আপনার টুইট পৌঁছাতে সাহায্য করে। এমনকি আপনাকে যারা ফলো করেছে কিন্তু আপনি ফলো ব্যাক করেন নি, ইন-একটিভ ইউজার সবার কাছে আপনার টুইট পৌঁছায় দিতে সাহায্য করে।

      ► ওইফলো (WeFollow): এই টুলসটি দ্বারা আপনি খুজে পেতে পারেন আপনার ক্লায়েন্ট প্রশ্ন হলো কিভাবে? টুলসটি ব্যবহার করলে আপনি আপনার কি-ওয়ার্ডগুলো এখানে দিতে পারবেন। যেমনঃ “SEO Services” কি-ওয়ার্ড টি আপনি যোগ করলেন। এখন এই কি-ওয়ার্ডে কি হচ্ছে সেটা আপনি আপডেট জানতে পারবেন। এইরকম অনেক কি-ওয়ার্ড আপনি দিতে পারবেন। দেখা যায় অনেক ক্লায়েন্ট আছে যারা মার্কেটপ্লেসে জব পোস্ট করে টুঁইটারে শেয়ার করে। আপনি লাইভ তার জব পোস্ট করে তার সাথে কন্ট্রাক্ট করে কাজ শুরু করতে পারবেন। একই সাথে আপনার যদি প্রোডাক্ট থাকে তবে সেটাও আপনি সেল বাড়াতে পারবেন।

       সোশ্যাল অম্পহ (SocialOomph):অসাধারন একটি টুলস। টুলসটি তে অনেক ফিচার পাওয়া যাবে। যে কাজগুলো আলাদা আলদা টুলস দ্বারা সম্পন্ন করতে ছি, সেটা এই টুলস দ্বারা  খুব সহজেই সম্পন্ন করা যাবে। তবে একটা ফ্রী অপরটি প্রিমিয়াম ভার্সন রয়েছে। ফ্রী ভার্সনে অনেক ফিচার পাবেন, আর যদি প্রিমিয়াম নেন তবে একটা টুলসই যথেষ্ট।

      ►টুইটার ফ্যান উইকি অ্যাপস (Twitter Fans Wiki Apps): এইটা এমন একটি অ্যাপস , টুইটার মার্কেটিং -এ আপনাকে টুলস খুজে দিতে সাহায্য করবে। যে ধরনের অ্যাপস বা টুলস আপনি চান , সেটা এখানে পাবেন।

      ► টুইফার (Twuffer):  আমি একজন বাংলাদেশি কিন্তু আমার যদি আমেরিকার ক্লায়েন্ট টার্গেট থাকে, তবে তাদের সময়ে আমাকে টুইট করতে হবে। এখন আপনি যদি আপনার সময় সকাল ১০ টার সময় টুইট করেন অফিসে যেয়ে, তাহলে দেখা যাবে ওই সময় আমেরিকার ক্লায়েন্ট ঘুমাচ্ছে। তাই তাদের সময় মাথায় রেখে আপনাকে টুইট করতে হবে। এখন দেখা যাচ্ছে যেই সময় আপনি ঘুমাচ্ছেন , সেই সময় ক্লায়েন্ট জেগে আছে। এই কারনে যে সময়ের পার্থক্য। তাই এই টুলসটি আপনাকে সাহায্য করবে শিডিউল বা সময় অনুযায়ী টুইট করতে। অর্থাৎ আপনি দেশ সিলেক্ট করে দিতে পারবেন একই সাথে ওই দেশের সময় অনুযায়ী আপনি টুইট করতে পারবেন এই টুলস দ্বারা।

 

 টুইটার সার্চ:

কাঙ্খিত ভিজিটর বা প্রোডাক্ট সেলের ক্ষেত্রে কাঙ্খিত কাস্টমার পেতে হলে টুইটার সার্চ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ব্যাক্তিগতভাবে আমি যখন কাজ করে থাকি টুইটারে, তখন বেশিরভাগ সময় ব্যয় করে থাকি টুইটার সার্চ অপশনে। কারন এখান থেকে আমি আমার একচুয়াল ভিজিটর এবং কাস্টমার পেয়ে থাকি। এছাড়া টুইটার অ্যাডস দেওয়ার সময়ও আমি সার্চ টার্মকে টার্গেট করে থাকি বেশিরভাগ সময়। নিচে কিছু সার্চ করার পদ্ধতি সম্পর্কে লিখছি। যা কিনা আপনাকে টার্গেট পুরন করতে ১০০ ভাগ সফল করে তুলবে।

url1

        ► সর্ব প্রথম আপনার ব্লগ বা ওয়েবসাইট দ্বারা সার্চ করেন। যদি কেউ আপনাকে মেনশন করে থাকে তবে আপনি সেটা জানতে পারবেন। আর এটা টুইটারে প্রবেশ করার পর এই কাজটা করা উচিৎ। এতে করে দ্রুত কাস্টমার সাপোর্ট দেওয়া যায়, একই সাথে অডিয়েন্স এর চাহিদা পূরণ করতে সক্ষম হবেন।

       ► আপনার কি-ওয়ার্ড এর সাথে লোকেশন সার্চ করুন। তাহলে কাজ পেতে বা প্রোডাক্ট সেল করতে আপনাকে আরও বেশি সাহায্য করবে। যেমনঃ “Dhaka City” WordPress Theme এই ধরনের সার্চে আপনি আপনার টার্গেট ক্লায়েন্ট পেতে সাহায্য করে।

       ► টুঁইটারে আপনি একটু খেয়াল করলে দেখবেন যে বেশিরভাগ টুইটের সাথে লিঙ্ক দেওয়া থাকে। যদি আপনি টুইটের সাথে লিঙ্ক থাকবে না, এইরকম টুইট খোঁজেন তবে, আপনার কি-ওয়ার্ড দেওয়ার পর শেষে এইটুকু ? -filter:links যোগ করুন। দেখবেন ফ্রেশ অর্থাৎ লিঙ্কবাদে টুইট চলে আসবে।যেমনঃ  Buy Wordpress Theme ? -filter:links

      ► সার্চ করার জন্য টুইটারের এডভান্স সার্চ এই টুলসটি ব্যবহার করে আপনার সঠিক রেজাল্ট খুজে পাবেন।এখন আপনি সার্চ করলেন। এবং আপনার টার্গেট ফলাফল পেলেন। অনেক সময় দেখা যাবে আপনার ওই সার্চ কোয়ারিটা মনে নাও থাকতে পারে। তাই ওই সার্চ রেজাল্টি সেভ করে রাখুন। সার্চ করার পর যে পেজটি আসবে সেখানে প্রথমেই ডান পাশে সেভ অপশন পাবেন। ওখানে ক্লিক করে সেভ করে রাখুন। যদি আবার আপনার পুনরায় প্রয়োজন হয় তবে সার্চ বক্সে ক্লিক করলে নিচে চলে আসবে সেভ সার্চগুলো।

উপরের পদ্ধতিগুলো দ্বারা সার্চ করলে আপনি সঠিকভাবে টুইটার সার্চ পদ্ধতিগুলো জানতে পারবেন। তবে সার্চ করার জন্য আরও যেসব টুইটার লিঙ্গ আছে সেগুলো আপনাকে জানতে হবে। টুইটার লিঙ্কগুলো আপনাকে সার্চ করতে আরও বেশি পরিমান সাহায্য করবে। টুইটার লিঙ্গগুলো নিয়ে এই পোস্টের শেষের দিকে আলোচনা করা হয়েছে।

 

ফলোয়ারসঃ

get_more_twitter_followers

     ► ফলোয়ারদের সাথে এঙ্গেজমেন্ট বা সম্পর্ক তৈরি করুন।

     ► রি-টুইট এবং যোগ দিন আলোচনা তে। আপনার কি-ওয়ার্ড ভিত্তিক বড় বড় টুইটার পেজে দেখবেন বিভিন্ন আলোচনা হচ্ছে। সেখানে আপনিও আলোচনা তে যোগ দিন।

     ► অনেক বেশি মানুষকে ফলো করবেন না। কারন কেউ আপনাকে ফলো করবে না, যখন দেখবে ১০০০ জনকে ফলো করেছে কিন্তু মাত্র ১০ জন ফলোয়ারস আছে ।

     ► রি-টুইট করুন। তবে সেটা যেন অবশ্যই আকর্ষণীয় হয়। 

     ► প্রাথমিক দিকে অর্থাৎ টুঁইটারে জয়েন করার পর পরই ১০০ মানুষকে ফলো করবেন না। উদাহরনস্বরূপ বললাম ১০০ মানুষ। কারন তাহলে আপনাকে বোট ভেবে নিবে।

 

ইন্টারেস্টিং বা মজাদার টুইট তৈরিঃ

Twitter-Hero

      ► সর্বদা টুইট করার সময় মাথায় রাখবেন, টুইট যেন অবশ্যই তথ্যসমৃদ্ধ, ব্যবহারযোগ্য,অথবা মজাদার হয়।

      ► টুইটারে টুইট করার সময় অবশ্যই হ্যাশ ট্যাগ ব্যবহার করবেন। যেমনঃ যদি আপনি ওয়ার্ডপ্রেস থিম নিয়ে টুইট  করেন তবে #WordPress #Theme অথবা #WordpressTheme এইভাবে টুইট করবেন।

      ► গতানুগতিক কোন টুইট করবেন না। যেমনঃ “Eating a Bowl of Creal”

      ► প্রতি মাসে ১-২ টা টুইট করলেন। এটা কোন মার্কেটিং পদ্ধতি নয়। শুধু মার্কেটিং পদ্ধতির কথা নয়, আপনার যারা ফলোয়ার আছেন তারাই আপনাকে আনফলো করে দিবে। তাই প্রতি সপ্তাহে, যদি সম্ভব হয় তবে প্রতিদিন ১-২ টা করে টুইট করুন। তাহলে আপনার ফলোয়ারস এবং আপনার বিজনেস সচল  থাকবে।

      ► কোন ধরনের অবান্তর লেখা বা অসন্তোষ প্রকাশ করে টুইট করবেন না। বেশিরভার মানুষ এটাকে অপছন্দ করে। সুতরাং অনেকে আনফলো করে দিবে।

      ► টুইট করুন ঠিক সময়। যখন অনেক টুইটার ব্যবহারকারি অনলাইনে থাকে। তাহলে আপনার টুইট অনেকে দেখতে পাবে।

      ► টুইট যেন সবা চোখে পড়ে এমন কিছু স্পেশাল আইকন ব্যবহার করবেন। আমি কিছু আইকন এর লিস্ট আপলোড করে দিলাম। আপনারা এখান থেকে ডাউনলোড করে নিতে পারেন। 

 

টুইটার লিঙ্গঃ

টুইটারে যেসব জিনিসগুলো ব্যবহার করা হয়, তাকে লিঙ্গ  বলা হয়। আমি কিছু লিঙ্গ উদাহরণ হিসেবে দিয়েছি।  @reply, Direct Message (DM), Follower, Hashtag, Retweet (RT), Trending Topics, and Tweet . টুইটার লিঙ্গের লিস্ট পাবেন এই লিঙ্কে গেলে।

 

কাদেরকে ফলো করবেন

     ► আপনার কি-ওয়ার্ড এর সাথে সম্পৃক্ত  এমন সব কোম্পানি বা কোম্পানির মোস্ট পপুলার ব্যাক্তিদেরকে ফলো করবেন।

     ► যদি আপনার ক্লায়েন্ট হয় তবে তাকে ফলো করুন। এতে ক্লায়েন্ট খুশি হবে। সেই সাথে সে তার পরিচিতদের কে রেফার করবে।

    ► আপনি কোন দেশে বা বিশ্বে কত তম আছেন টুইটারে সেটা এই লিঙ্ক থেকে দেখতে পারবেন। এটি সাধারনত ফলোয়ারস বিবেচনা করে রেজাল্ট দেখায়।

আমাকে ফলো করুন


টুইটার লিস্ট

টুইটার লিস্ট হচ্ছে ফেসবুক গ্রুপের মত। এখানে আপনি ফেসবুক গ্রুপের মত করে সবাইকে অ্যাড করতে পারবেন। আমরা ফেসবুক গ্রুপে যা যা করে থাকি সেটা লিস্টের মাধ্যমে করতে পারব। টুইটারে সেটিংস অপশনে গেলে আপনি লিস্ট নামক একটি অপশন দেখতে পাবেন। সেখান থেকে আপনি নতুন একটা লিস্ট চাইলে তৈরি করতে পারেন। অথবা সার্চ করে আপনার কি-ওয়ার্ড এর সাথে সম্পৃক্ত লিস্টে জয়েন করতে পারেন।

 

অ্যাডভারটাইজিং

     ► আপনার টুইটার পেজকে বিভিন্নস্থানে উল্লেখ করুন। যেমনঃ বিজনেস কার্ড, ফেসবুক ফ্যান পেজে, মেইল সিগনেচারে, ওয়েবসাইটে অথবা ব্লগে। 

     ► টুইটার বাটন তৈরি করুন। এবং বিভিন্ন স্থানে পাবলিশ করুন। 

     ► টুইটার গেজেট তৈরি করুন আপনার ব্লগের জন্য।

     ► এছাড়া পেইড মার্কেটিং করতে পারনে টুইটারে। যা আপনার টুইট অথবা আপনার প্রোফাইলকে ফলোয়ার এবং বিজনেস কে আরও এগিয়ে নিয়ে যেতে সাহায্য করবে।

Black Background Wood - 2560x1600 by Freeman

আশা করি টুইটার মার্কেটিং এর এই কিলার টিপসগুলো যেকোনো আপনার বিজনেস প্রোমট করার জন্য বা প্রোডাক্ট সেল করার জন্য ২০০% সাহায্য করবে। এখানে যে পয়েন্টগুলো দেওয়া আছে সেইগুলা অবশ্যই অবশ্যই পড়বেন। যদি একজন টুইটার মার্কেটিং স্পেশালিষ্ট হতে চান। কারন প্রত্যেকটি পয়েন্ট অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সামনে আরও ২ টি পর্ব আসবে টুইটার মার্কেটিং নিয়ে। যদিও এই একটিি যথেষ্ট। তবে নতুনদের বুঝতে অনেক কষ্ট হবে তাই, সামনের দুইটি পর্ব শুধুমাত্র নতুনদের জন্য।

কেমন লাগলো পড়ে। এটা জানাতে আশা করি ভুলবেননা। সেই সাথে লেখাটি পড়ে যদি আপনার ভাল লেগে থাকে তবে অনুরধ থাকবে সবার মাঝে শেয়ার করবেন। ঈদের অগ্রিম শুভেচ্ছা রইল সবার জন্য। আমার পক্ষ থেকে আপনাদের জন্য এই লেখাটি ঈদের গিফট রইল। ভাল থাকবেন। আল্লাহ হাফেজ।
[/sociallocker]

Comments

comments

Leave a Comment