বিং/ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন গাইডলাইন

৯০ ভাগ মানুষের ধারনা গুগলে যদি র‍্যাঙ্ক করাতে পারি, তবে ইয়াহু অথবা বিং-এ খুব সহজেই র‍্যাঙ্ক করব। কিন্তু বাস্তবতাটা ভিন্ন। এই ২ সার্চ জায়ান্ট গ্রুপ চলে ভিন্ন ভিন্ন ভাবে। আর সেটা হওয়াটা যে খুব স্বাভাবিক আমাদেরও জানা উচিৎ। কারন আমরা কখনও চাই না যে, আমি আমার কম্পিটিটর কে ফলো করতে, বরং আমার কম্পিটিটর থেকে ভালো কিছু করাই হচ্ছে আমাদের মুল টার্গেট থাকে। তাই সেখানে এই বিশাল ৩ জায়ান্ট যে এক এলগোরিদম নিয়ে কাজ করবে না, এটাই সিম্পল।

অনলাইনে যদি খুজেন, তবে কয়েক হাজার না কয়েক লক্ষ শুধুমাত্র গুগল সার্চ ইঞ্জিন এর অপটিমাইজেশন সম্পর্কে লেখা। কিন্তু সেখানে মাত্র ২% বিং এর সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন নেওয়া লেখা নেই। যার কারনে আমরা বিং কে গুরুত্ব দিয়ে দেখি না।

কিন্তু সত্য বলতে বিং-এ কয়েক বিলিয়নের মত ট্র্যাফিক আছে। এখন দেখেন তো, এখানে যেমন কম্পিটিশন কম, তার তুলনায় কিন্তু ট্র্যাফিক অনেক আছে। মজার ব্যাপার হচ্ছে বিং-এ সবথেকে বেশি ডিজিটাল প্রোডাক্ট সেল হয়। যা অন্য যেকোন সার্চ ইঞ্জিন থেকে কয়েকগুন বেশি।

বিং যেহেতু মাইক্রোসফট এর, আর দেখা যায়, বেশিরভাগ মানুষ আমাদের মত বিভিন্ন ব্রাউজার ব্যবহার করে না। তাই উইন্ডোজ ব্যবহার এর জন্য ইন্টারনেট এক্সপ্লোরার ডিফল্ট বিং সার্চ ইঞ্জিন ব্যবহার করে। সিপিএ মার্কেটাররা সর্বদা এখানে পেইড অ্যাডভার্টাজিং করার জন্য পড়ে থাকে। একটা কোম্পানি যেখানে অ্যাড দিতে যাবেন, তাও ব্যান করতে পারে, এই ভয়ে থাকতে হয়। তার মানে কি পরিমান এখান থেকে যে সেল আসতে পারে, আমরা নিজেরাও ফিল করতে পারছি।

“সব চাইতে হাস্যকর লাগে তখন, যখন সিপিএ মার্কেটাররা টাকা দিয়ে সেখানে অ্যাড চালু করে ইনকাম করার চেস্টা করে”। কিন্তু একটু যদি বুদ্ধি করে বিং এর জন্য একটা সাইটকে অপ্টিমাইজ করে কাজ করে, তাহলে উইদাউট ইনভেস্টে কিন্তু প্রতিদিন এবং স্টাবল একটা আর্নিং থাকে।

[sociallocker]

এইটার পেছনে একটা কারন হচ্ছে বিং সার্চ ইঞ্জিন অপ্টিমাইজেশন সম্পর্কে অজ্ঞতা থাকার কারনে। যে কারনেই নিজে একটা সাইট এর উপর এক্সপেরিমেন্ট চালিয়ে ফলাফল বা নতুন কি আপডেটে কি সমস্যা হতে পারে না বা না হতে পারে সেটার জন্য লেখা। আশা করি বিং সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের জন্য আপনিও এবার প্রস্তুতি নিতে পারবেন।

লেখার শুরুতে একটু জানিয়ে রাখা ভালো যে, বিং এবং ইয়াহু এই ২ সার্চ ইঞ্জিন জায়ান্ট এর এলগোরিদম একই। তাই ইয়াহু এবং বিং একই রেজাল্ট দেখায়। সুতরাং আপনাকে আলাদা আলাদাভাবে বিং অথবা ইয়াহু এর জন্য কাজ করতে হবে না। একটাতে কাজ করলেই হবে। রেজাল্ট দুইটাতে শো করবে।

আলোচনার শুরুতে বিং/ইয়াহু এবং গুগল এর মধ্যে তাদের কি ধরনের মিল আছে, সেটা একটু আমরা প্রথমে দেখে নিব।

বিং/ইয়াহু এবং গুগলের সাথে সামঞ্জস্যতাঃ

লিঙ্কঃ লিঙ্কবিল্ডিং এর ক্ষেত্রে গুগল এবং বিং সমানভাবেই কাজ করে। সুতরাং এটা খুবই গুরুত্বপূর্ণ যে, আপনার লিঙ্ক বিল্ডিং করার ক্ষেত্রে আপনি যে ধরনের স্টেপ ফলো করে থাকেন গুগল সার্চ অপটিনাইজেশনের জন্য , ঠিক সেই ধরনের কাজ আপনাকে এখানে করতে হবে। তাই লিঙ্ক বিল্ডিং এর ক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্ক থাকবেন।

লোকাল সার্চ রেজাল্টঃ লোকাল সার্চ রেজাল্টের ক্ষেত্রে বিং এবং গুগল একই ধরনের নীতি ফলো করে, তবে সেক্ষেত্রে হালকা ভিন্নতা আসলে, ১৯-২০ এর কাছাকাছি থাকে। তাই লোকাল অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে গুগল বিজনেসে অ্যাড করলে অবশ্যই বিং-এ অ্যাড করবেন। এতে করে আপনার দুই সার্চ ইঞ্জিনে একই ফলাফ্ল পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

পেইড সার্চঃ পেইড সার্চ এর ক্ষেত্রে এই দুই জায়ান্ট একই বিষয়গুলোকে ফলো করে থাকে। সুতরাং অ্যাডওয়ার্ডস জানলে বিং-এ সমস্যা নেই আবার বিং জানলে অ্যাডওয়ার্ডসে কাজ করতে সমস্যা নাই। এবং মজার ব্যাপার হচ্ছে, দুইজনই দুইজনকে রেফার হিসেবে কাজ করে থাকে।

যত পার্থক্য এবং র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টরঃ

বিং/ইয়াহু এবং গুগল এর মধ্যে বিশাল পার্থক্য রয়েছে। কারন তাদের এলগোরিদম বা সার্চ ইঞ্জিন কাজ করে ডিফ্রেন্ট ডিফ্রেন্টভাবে। গুগল সার্চ এলগোরিদম এবং বিং এলগোরিদম দেখে নিলে বুঝতে পারবেন।

ম্যাচিং কি-ওয়ার্ডঃ

গুগলঃ গুগল কনটেন্ট এর উপর মুল ফোকাস দেই। তারা কি-ওয়ার্ড ডেনসিটি বলে কোন শব্দ পছন্দ করে না।

বিং: এক্স্যাক্ট ম্যাচ ডোমেইন সবচাইতে বেস্ট হচ্ছে বিং।

ডাবল-মিনিং সার্চ কোয়ারিঃ

গুগলঃ যদি ২টা মিনিং এর সাথে কি-ওয়ার্ড ফ্রেজ থাকে তবে গুগল ওয়ার্ল্ডের মোস্ট ফেমাস ওয়েবসাইটগুলো প্রথমে নিয়ে আসে।

বিং: বিং এই ধরনের সার্চের ক্ষেত্রে সাধারণত লোকাল রেজাল্ট প্রথমদিকে নিয়ে আসে।

ডোমেইন এর বয়স/পেজ অথোরিটিঃ

গুগলঃ ডোমেইন এর বয়স নিয়ে গুগল কখনও সার্চ রেজাল্টে শো করে না। সাইট এর কনটেন্ট এবং লিঙ্কবিল্ডিং এর উপর ভিত্তি করে র‍্যাঙ্ক করায়।

বিং: বিং সাইট এর বয়স এর ভিত্তি করে র‍্যঙ্কিং করে থাকে। এছাড়া লিঙ্কবিল্ডিং কেও তারা প্রাধান্য দিয়ে থাকে।

ফ্লাস কনটেন্টঃ

গুগলঃ গুগল ফ্ল্যাশ ওয়েবসাইটগুলোকে র‍্যাঙ্ক তো দূরে থাক, ক্রল-ই করে না।

বিং: বিং ফ্ল্যাশ ওয়েবসাইটগুলোকে একটু অন্যরকম ভ্যালু দিয়ে থাকে। এই ধরনের সাইট করার তাদের উৎসাহ কম থাকে না। এবং তারা খুবই প্রায়োরিটি দিয়ে এই ধরনের সাইটকে র‍্যাঙ্ক করায়।

বুঝতেই পারছেন যে, বিং, ইয়াহু এবং গুগল কি ধরনের গুরুত্বপূর্ণ ব্যাপারগুলোকে আলাদা করে দেখছে। এসইও অপটিমাইজেশনের জন্য দু সার্চ ইঞ্জিনের ক্ষেত্রে একদমই দুইরকমভাবে কাজ করতে হবে। এক যায়গাতে র‍্যাঙ্ক করা মানে এই না যে, আপনি সব যায়গাতে র‍্যাঙ্ক করছেন।

মোবাইল অপটিমাইজেশনঃ

গুগলঃ গুগল গত ২১ এপ্রিল অফিসিয়ালি ঘোষণা দিয়ে তবে, মোবাইল সার্চ রেজাল্ট এবং ডেস্কটপ সার্চ রেজাল্ট আলাদা করে দিয়েছে। মোবাইল ফ্রেন্ডলি সাইটগুলো মোবাইল সার্চ গুগল প্রাধান্য দিবে। যাতে করে ইউজারদের জন্য আরও সুবিধাজনক হয়।

বিং: ইয়াহু এই ধরনের কোন প্রোসেস এখন হাতে নেই নি। তবে বিং মোবাইলে ফ্রেন্ডলি লেবেল্টা তাদের সার্চ রেজাল্টে অ্যাড করেছে। এই মুহূর্তে বলা মুশকিল যে, বিং কি আসলে র‍্যঙ্কিং-এ কোন পার্থক্য করছে কি না এই ক্ষেত্রে। তারা র‍্যঙ্কিং ফ্যাক্টরে মোবাইল সার্চ এবং ডেস্কটপ সার্চ আলাদা করে দেখছে কি না। আমি যেহেতু সরাসরি মোবাইল ফ্রেন্ডলি থিম দিয়ে সাইট করেছি, তাই বিং থেকে মোবাইল এর সার্চ থেকে ট্র্যাফিক পাচ্ছি। অন্যদের ব্যাপারটা বলতে পারছি না।

বিং/ইয়াহু সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশন

গুগল ৬৭% মার্কেট দখল করে রেখছে। ইয়াহু এবং বিং ২৯% মার্কেট দখল করে রেখছে। এর মধ্যে ইউএসএ মার্কেটটা সবথেকে বেশি। তবে এই মার্কেটটা আরও বড় হবে। কারন গুগল সাফারি এর সাথে সম্পর্ক করতেছে আর বিং ডিফল্ট হিসেবে এবার অপারেটিং সিস্টেমে সেটআপ করাই আছে। ইয়াহু এবং বিং চেস্টা করতেছে এই যায়গাটা তে ইউজারদেরক স্টাবল করে রাখতে। সুতরাং বিং যে একটা বড় কিছু হতে চলেছে, সেটা না বলার মত নেই। আর ব্যক্তিগতভাবে আমার নিজেরও বিং-এ একটা ভালোবাসা জন্মে গেছে।

চলে যাক মুল কথাতে। বিং অপটিমাইজেশনের জন্য অনেক পদ্ধতি আছে। এক্সপেরিমেন্ট ৯ টি বিষয়ের উপর। তাছাড়া সার্চ করলে আরও অনেক এই রকম সিমিলার বিষয়গুলো পাবেন। মেথড তো আমরা সবাই জানি, কিন্তু ইমপ্লিমেন্ট আর পারফেস্কশনের ঘাটতি। আশা করি কাজে দিবে।

তবে একটা কথা জানিয়ে রাখি, যদি আপনি গুগল এর জন্য কাজ করে থাকেন, এবং ভালো পজিশনে থাকেন তবে, সেটা কে মুভ করে বিং এর জন্য করবেন না। কারন ভালো করে জানেন যে, বিং গুগল এর উল্টা পথে  চলে। সুতরাং গুগল সার্চ রেজাল্ট থেকে কিন্তু পড়ে যাবেন। কারণ আপনি গুগল ওয়েবমাস্টার গাইডলাইন ভং করবেন, যদি কিনা বিং এর জন্য অপটিমাইজ করেন।

ইনডেক্স এবং সাবমিটঃ

শুরুতে আপনি যেমন গুগল এর জন্য ওয়েবমাস্টার সেটআপ করেন ঠিক তেমনি এখানে বিং ওয়েবমাস্টার টূল সেটআপ করতে হবে। বিং গুগল এর মত ইনডেক্সটা ওইভাবে আপডেট করে না। সুতরাং আপনাকে অপেক্ষা করতে হবে। আপনি ওয়েবমাস্টার টুল সেটআপ করার পর বিং পিং পাবে ইনডেক্স এর জন্য।

টেকনিক্যাল এসইওঃ

আপনার সাইট যদি বিং-এ র‍্যাঙ্ক করাতে চান, সেক্ষেত্রে আপনাকে অবশ্যই টেকনিক্যাল সমস্যাগুলো সমাধান করতে হবে। এটা এক ধরনের র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর বললেও হয়ত ভুল বলব না। কারন আপনার সাইট এর টেকনিক্যাল সমস্যাতে যে কোন রোবট এর জন্য বোঝা কষ্টসাধ্য। দেখে নিন কি করতে হবে এক নজরেঃ

  • পেজ লোড স্পিড ।
  • রোবট ডট টিএক্সটি সেটআপ করতে হবে। যাতে করে বিং এর রোবট ক্রল করতে পারে।
  • পারফেক্ট সাইটম্যাপ তৈরি করে সেটা সাবমিট করতে হবে।
  • রিডাইরেক্ট যেমন গুগল প্রাধান্য দিয়ে থাকে, সেম ক্যাটাগরিতে বিং প্রাধান্য দিয়ে থাকে।
  • ক্যাননিক্যাল ট্যাগটা বেশিদিন হয় নি বিং ব্যবহার শুরু করেছে। কারন এটা বোঝা খুব কস্ট সাধ্য ছিল যে, কনটেন্ট ডুপ্লিকেট কন্তনেত এবং কোন অরিজিনাল কনটেন্ট।

টাইটেল ট্যাগঃ

বিং-এ টাইটেল ট্যাগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ একটা ব্যাপার। টাইটেল ত্যাগে রিলেভেন্ট কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করুন। প্রত্যেকটা ইন্ডিভিজুয়াল পেজে টাইটেল ত্যাগ ব্যবহার করুন। কিন্তু অযথা যেন, কি-ওয়ার্ড ব্যবহার না হয়। মাথায় রাখবেন, গুগল এর জন্য করতেছেন কিন্তু একটু টেকনিক্যালি হ্যান্ডেল এর মাধ্যমে গুগল র‍্যাঙ্কিং-ও থাকার চেস্টা থাকুন। বেশি এক্সেস করলে গুগল থেকে তো খাবেন, কিন্তু বিং থেকে খাওয়ার সভাবনা রয়েছে।

সরাসরি কি-ওয়ার্ড ব্যবহারঃ

বিং-এ ব্রড ম্যাচিং কি-ওয়ার্ডে খুব ইফেক্টিভ কজ করে না। বিং এক্স্যাক্ট ম্যাচ কি-ওয়ার্ড র‍্যাঙ্কিং নিয়ে আসতে বেশি পছন্দ করে থাকে। এর জন্য ওয়ার্ডস্ট্রিম কি-ওয়ার্ড টূল সবথেকে ভাল অপটিমাইজেশনের ক্ষেত্রে।

ব্যাকলিঙ্কস বিল্ডিং:

ব্যাকলিঙ্কস খুবই গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর বিং সার্চ রেজাল্টে আসার জন্য। ব্যাকলিঙ্ক তৈরি করার সময় খেয়াল রাখবেন যেন ৫০ ভাগের বেশি লিঙ্ক হাই – অথোরিটি সাইট থেকে আসে। আর কি-ওয়ার্ড তো এক্স্যাক্ট ম্যাচ ব্যবহার করবেন।

Ads-01

গুগল র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে যেমন কনট্যাক্সচুয়্যাল ব্যাকলিঙ্ক প্রয়োজন হয়, সেটা এখানে না থাকলেও, এইটূকু এনশিউর হতে হবে যে, যেখানে লিঙ্কবিল্ডিং করছেন ওই সাইট বা ওই ব্যাকলিঙ্ক এটা একটা অথোরিটি যায়গা থেকে আসছে। যেটা গুগলও পর্যন্ত ভালোবাসে।

কনটেন্ট ইজ কিং:

হ্যা বিং এর ক্ষেত্রেও এটা প্রযোজ্য। কোয়ালিটি কনটেন্ট ছাড়া বিং ও আপনাকে পাত্তা দিবে না। তবে হ্যাঁ, এখানে আপনি কি-ওয়ার্ড ডেনসিটি বলে শব্দটা মাথায় রেখে কাজ করলে অসুবিধা নাই গুগল এর মত। ভালো কনটেন্ট এবং কনটেন্ট স্ট্রাকচার এর উপর ভিত্তি করে বিং র‍্যাঙ্কিং করে সাইটকে। সুতরাং কনটেন্ট লেখার ক্ষেত্রে এখানেও আপনাকে গুগল এর মত করে চলতে হবে। বিগ বা বড় কনটেন্ট সর্বদা সব সার্চ ইঞ্জিন প্রায়োরিটি দিয়ে থাকে। তাই র‍্যাঙ্ক করাতে হলে এদিকটা তেও একটু খেয়াল রাখতে হবে।

সোশ্যাল সিগন্যালঃ

গুগল কখনও ডিক্লিয়ার করে বলে না যে, তারা সোশ্যাল সিগন্যাল তাদের একটি র‍্যাঙ্কিং ফ্যাক্টর এর মধ্যে অন্যতম। কিন্তু বিং এটা পরিস্কার করেছে যে, সোশ্যাল সিগন্যাল খুবই খুবই গুরুত্বপূর্ণ র‍্যাঙ্কিং এর ক্ষেত্রে। তারা এটা অতি গুরুত্বের সাথেই দেখে থাকে।

বিং লোকালঃ

বিং ওয়েল অপটিমাইজ সাইটকে প্রাধান্য দিয়ে থাকে। তাই লোকাল হলে সেটা অবশ্যই তাদের লিস্টিং-এ যোগ করবেন । কিছু জিনিস যেমন গুগল স্কিপ করে চলে এরকম বিং। যেমনঃ

  • ক্লকিং
  • শ্যাডি ব্যাকলিঙ্ক স্ট্রাটেজিস্ট
  • শ্যাডি সোশ্যাল মিডিয়া স্ট্রাটেজিস্ট
  • ডুপ্লিকেট কনটেন্ট
  • অনেক বেশি কি-ওয়ার্ড ব্যবহার করা কনটেন্ট এর মধ্যে

গুগল এর মত বিং এই ব্যাপারগুলোকে মোটেও ভালো নজরে দেখে না। ৩ টা সার্চ ইঞ্জিনের জন্য একসাথে অপটিমাইজ করতে গেলে, একটু কম্প্রোমাইজ করে কাজ করতে হবে। সুতরাং কিছু যায়গা তে স্বাধীনতা থাকলে, সেসব যায়গাগুলোকে আমি একটু রেস্ট্রিক্টেড করে রেখেছি। তবে মেইন ফোকাসটা রেখেছি অবশ্যই বিং সার্চ ইঞ্জিনের জন্য। উপরের যে পয়েন্ট উল্লেখ করেছি, এইসব সিরিয়াস বিষয়গুলো সর্বদা চেস্টা করতে হবে স্কিপ করে যেতে। এতে ভবিষ্যৎ ভাল হবে।

আমি মুল পয়েন্টগুলো এখানে আলোচনা করার চেস্টা করেছি মাত্র। স্পেসিফিক আমার অনেক আর্টিকেল আছে , প্রত্যেকটা আর্টিকেল পড়লে আপনি সম্পূর্ণরুপে বুঝতে পারবেন যে, কি কি কাজ করলে তবেই আপনি বিং সার্চ ইঞ্জিন এর জন্য পারফেক্ট হয়ে উঠবেন। অনেক কথা হল। কেমন লাগলো সেই অনুভূতিটূকু প্রকাশ করতে ভুলবেন না। সবাই ভাল থাকুন, এই সুস্থতা কামনা করি। আল্লাহ হাফেজ।[/sociallocker]

 

pMWmZgC
HURRY ! Click Here for More Details

Comments

comments